Search
Generic filters
Search
Generic filters
জয়দীপ দে

জয়দীপ দে

জয়দীপ দে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে স্নাতকোত্তর। গল্প, উপন্যাস এবং বিবিধ বিষয়ের ওপর প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখে থাকেন। পেশায় অধ্যাপক। তাঁর প্রকাশিত উপন্যাসগুলি হল: ‘নিষুপ্ত’, ‘গহন পথে’, ‘কাসিদ’, ‘উদয়ের পথে’ এবং গল্পগ্রন্থ ‘হারকিউলিসের পাখা’। লিখেছেন ‘মাদ্রাজের চিঠি’ নামে একটি ভ্রমণবৃত্তান্ত। এছাড়াও লিখেছেন ‘বঙ্গবন্ধুর কলকাতা জয়’, ‘অন্যচোখে একাত্তর’, ‘রেলকে ঘিরে’, ‘একাত্তরের কার্টুন’, ‘চট্টগ্রামের লোকশিল্প’ প্রভৃতি ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ক গ্রন্থ।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বিশেষ নিবন্ধ: জয়দীপ দে

বিদ্রোহ থেকে জন্ম নেয়া প্রথম দেশ ইতালির নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেনের রানির অর্থায়নে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে ১৪৯২ খ্রিস্টাব্দের ১৯ নভেম্বর কিউবার পুয়ের্তো রিকোতে এসে পৌঁছান।

Read More »

ছোটগল্প: পিঁপড়া ও সাহিত্যসভা

India’s First Bengali Daily Magazine. পিঁপড়ার যন্ত্রণায় তার জীবন বিষময় হয়ে উঠেছে। একটা পুরনো দালানের নীচতলায় স্যাঁতস্যাতে একটা রুমে রাতে গিয়ে ও শোয়। আসবাব বলতে একটা তুলা কাঠের খাট। রাতে গিয়ে দেখবে চার পায়ায় চারটা চলমান লাল রেখা। অক্ষৌহিণী অক্ষৌহিণী পিপীলিকাযোদ্ধা তার জন্য শরণশয্যা বিরচনে ব্যস্ত। দুঃখে ক্রোধে তার কাঁদতে ইচ্ছে করে। সারাদিনের পরিশ্রম শেষে একটু শান্তিতে হাত-পা ছড়িয়ে ঘুমাবে সে সুযোগ নেই। ট্যালকম পাউডার, কর্পূর, পিঁপড়ার ঔষধ সবকিছুতে ব্যর্থ হওয়ার পর এখন কেরোসিন থেরাপিতে গেছে অনন্য।

Read More »

সীমান্তের কান্না ও পোর্ট এন্ট্রি ভিসা

India’s First Bengali Story Portal. নিকট অতীতে ভারত ও বাংলাদেশ ছিটমহল ও বিরোধপূর্ণ সীমান্তাঞ্চল নিয়ে যে ঐতিহাসিক চুক্তি করেছে, তা পৃথিবীর ইতিহাসে এক অনন্য দলিল। কোনও প্রকার সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই আলোচনার মাধ্যমে ভূমিবিনিময়ের নজির পৃথিবীতে খুব একটি নেই। কিন্তু এই উজ্জ্বল নজির প্রতি মুহূর্তে অসম্মানিত হচ্ছে সীমান্তে। সীমান্তাঞ্চলের সাধারণ জনগণ তাদের আত্মীয়স্বজনকে দেখতে ওপারে যেতে পারছেন না। তাদের পাসপোর্ট ভিসার চক্করে ফেলে দেয়া হচ্ছে। অথচ ভারতের সঙ্গে নেপাল, ভুটান কিংবা শ্রীলংকার এ সমস্যা নেই। যেকোনও একটি বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য এক দেশের নাগরিক আর-এক দেশে যেতে পারছেন। সেখানে ফালানিদের লাশ হয়ে ঝুলে থাকতে হয় না তারকাঁটায়।

Read More »

রুয়ান্ডা: ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বর্গোদ্যান

রুয়ান্ডা এখন আফ্রিকার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ দেশ। রুয়ান্ডাকে বলা হয় আফ্রিকার ‘টেক-হাব’। রুয়ান্ডা ব্যবসা করার জন্য আফ্রিকার দ্বিতীয় সেরা দেশ। সেখানে আফ্রিকার সেরা বিচার বিভাগ, দ্বিতীয় সেরা পুলিশ, তৃতীয় সেরা সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। রুয়ান্ডায় প্রতিটি শিশুর জন্য ১টি করে ল্যাপটপ রয়েছে। রুয়ান্ডায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা। এটি লিঙ্গসমতার ক্ষেত্রে আফ্রিকার দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ।

Read More »

আমেরিকার স্বাধীনতা: আড়াইশো বছর

১৬০৭ থেকে ১৭৮৩ পর্যন্ত সময়কাল আমেরিকায় ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক রাজত্ব। আজকের দিনে যে আমেরিকা, তা কিন্তু পুরোটা ব্রিটিশদের দখলে ছিল না। ছিল ভার্জিনিয়া, ম্যাসাচুসেটস, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া-সহ ১৩টি রাজ্য। আর কানাডার বেশ কিছু অঞ্চল। আমেরিকার অন্যান্য স্থানে ফরাসি, ডাচ, নরওয়েজিয়, সুইডিস উপনিবেশ-ও ছিল। তাছাড়া রাশিয়া আমেরিকার আলাস্কা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত দখল করে। পরে সে আলাস্কা আমেরিকার কাছে বিক্রিও করে দেয়।

Read More »

গোদাবরীর গোমুখে

গঙ্গার মর্ত্যে আগমন নিয়ে যেমন ভগীরথের গল্প, তেমনই গোদাবরীর উৎসস্থলে না এলে জানা যেত না, দক্ষিণের গঙ্গা নিয়েও আছে হাজার গল্প। যে গল্প জানাবে আজও এই অঞ্চলের মানুষ অনেক সময়েই কাছাকাছি আর কোনও পানীয়জল না পেয়ে কষ্ট করে হলেও এই উৎসস্থলে এসেই শীতল এই পানীয়জল নিয়ে যান নিজেদের কাজের জন্য। গঙ্গা বা অন্য নদী সে শুধু ধার্মিক আবেগের কারণে পবিত্র না, হাজার প্রাণীর ‘তৃষ্ণা’ মেটাবার জন্য সে হয়ে ওঠে ‘দেবী’ বা ‘পবিত্র’। সে পথে মিশে যায় হাজার গল্প-কষ্ট কিংবা দিনযাপনের চরম বাস্তবতা।

Read More »

রুহের কবিতাগুচ্ছ

একই আলোকমালায় কাটিয়েছি/ বহুকাল দু’জনে…/ বলিনি কখনও।/ তারা খসা দেখেছি একসাথে, যদিও/ গোপন থেকেছে চাওয়া-পাওয়া।/ মাঝে বহুদিন, বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো/ একা… নীরবে বয়েছি যাতনা।/ আজ মিথ্যের নেই অবকাশ/ তোমাকে কি পড়েনি মনে/ কোনও মুহূর্ত বা ক্ষণে/ ভাবিনি কি একান্ত বন্ধু আমার—/ এতদিন পরে, পুনর্মিলনে বলেছ/ পাখি হতে চেয়েছিলে এ জীবনে

Read More »

যুদ্ধ: বৈশ্বিক কসাইখানা, পুঁজির সংকট ও শ্রমের মুক্তি

অবিক্রীত পণ্যের পাহাড় যখন পুঁজির পুনরুৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন পুঁজিপতিরা তীব্র আতঙ্কে ভোগে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রতিযোগী পুঁজিপতির বাজার ও পণ্য ধ্বংস করতে চায়। আর এই ধ্বংসের বৈধ হাতিয়ার হিসেবে তারা রাষ্ট্র ও সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। অর্থাৎ, উদ্বৃত্ত পণ্য এবং অতিরিক্ত শ্রমকে ধ্বংস করে পুঁজির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই বুর্জোয়া যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। এই শোষণের প্রক্রিয়াকে আড়াল করতে রাষ্ট্র একদল বুদ্ধিজীবী ও নীতিবিদ লালন করে, যারা কৃত্রিম ‘দেশপ্রেম’ ও ‘জাতীয়তাবাদ’-এর আফিম খাইয়ে শ্রমিককে বিভ্রান্ত রাখে, যাতে তারা শোষক ও শোষিতের মধ্যকার মৌলিক শ্রেণি-পার্থক্য ভুলে যায়।

Read More »

বিশ্বকাপ জৌলুসে আর্জেন্টিনা গণহত্যার বধ্যভূমি

বুয়েনস আইরেসের রিভার প্লেটের যে স্টেডিয়ামে তখন খেলা হত, তার মাত্র এক মাইল দূরে ছিল সামরিক সরকারের বন্দিশিবির নেভি স্কুল অব ম্যাকনিকস। সাংবাদিক ডেভিড কক্স ফুটবল বিশ্বকাপের খবর সংগ্রহ করতে গেছিলেন। তিনি ‘ডার্টি ওয়ার’ বইতে লিখেছিলেন, যখন স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলত তখন ওই টর্চার সেল থেকে কান্নার শব্দ শোনা যেত। আর্জেন্টিনার ভুবনমোহিনী ফুটবলে লেগে আছে রক্ত।

Read More »

ধর্মযুদ্ধ

এই যে সংবাদমাধ্যমে প্রতিদিন শতমুখে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়, এই যে ফেসবুক জুড়ে বিশেষ সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করে সম্মানীয় নেতা-মন্ত্রীদের কুৎসিত ইঙ্গিত, হিংসার প্রদর্শনী— এর প্রতিক্রিয়া কোথায় গিয়ে ঠেকে তাঁরা কি জানেন? পাড়ায় পাড়ায়, রকের আড্ডায়, ক্লাবের আড্ডায়— সর্বত্র বয়োজ্যেষ্ঠদের নির্বোধ অসংযত উচ্চারণ কোন শিশুর হৃদয়ে কেমন ভাবে প্রোথিত হয় তাঁরা কি জানেন? ভেবে দেখেছেন কি এই বিদ্বেষিতার মধ্যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আগামী প্রজন্ম?

Read More »