দ্রোহ ও বিষাদ
শোকের নদীটি এসে সারারাত বসেছিল উঠনের ধারে
আমি তাকে বলেছি বিদ্রোহ আর আগুনের কথাগুলো কীভাবে নেচেছে
. ঢেউয়ের ওপর
বলেছি, জীবনে এই জলের উচ্ছ্বাস শেষ কথা নয়, ফিরে যাও পারে
যেখানে আমার নামে এখনও সমন ঝোলে সূর্যাস্তের গায়ে, রাত্রি এসে
. মুছে দেয় ভোর।
নিষিদ্ধ স্বপ্নের গায়ে আড়াআড়ি কড়িকাঠ কেঁদেছিল সমস্বরে
সেই শুরু, বিষাদ পাহারা দিল সারাটা জীবন যাতে কোনো ব্যতিক্রম
আনন্দ জাগাতে এসে নিজেই ফসিল হয়ে শুয়ে থাকে খাদের গহ্বরে
যদি যাই সেতুটি পেরিয়ে দূরে, কলরব করে ছুটে আসে
. যেখানে আমার যত ভ্রম।
শান্ত জল দেখে ঝাঁপ দিই নদীর ওপর, আমাকে ঠোকরায় স্মৃতি
‘এত ক্ষত নিয়ে তুমি কী করে দেখাবে মুখ’, বলে ওঠে জলের মুকুর
অতীতের প্রসাধন কক্ষে তার লণ্ডভণ্ড শুশ্রূষার হা-হুতাশ
. এখনও বাতাসে শোনা যায়
আবার আমার দেহে বেজে উঠবে জানি যুগপৎ দ্রোহ আর
. বিষাদের সুর।
চিত্রণ: ক্রিস্তিনা সাহা





