Search
Generic filters
Search
Generic filters

রূপকুমার দাসের কবিতাগুচ্ছ

আরণ্যক প্রেমকথা

 

স্বপ্নের ঘোরে আমি ফিরে গেছি নিযুত বছর আগে

সম্মুখে ছিল অববাহিকার একহাঁটু তক কাদা

উত্তাল ঢেউ সমুদ্র খাঁড়ি কুমিরের আনাগোনা।

আমি হয়ে গেছি আদিম-পুরুষ খুব ডাকাবুকো যুবা

প্রিয়সঙ্গিনী আদিম রমণী ইভার আকুল দাবি—

‘সমূহ বিপদ বিঘ্ন পেরিয়ে যাও ওপারের বনে

এনে দিতে হবে সুস্বাদু ফল, সোনার আপেল

খুব তরতাজা পারিজাত ফুল মৃগনাভি কস্তুরী।’

 

সামনে প্রকট ঘন বনবীথি কণ্টক ঝোপে ঢাকা,

মৃগাঙ্ক পথ খুব উঁচুনীচু দিশাহীন আঁকাবাঁকা।

আমি আপ্রাণ দু’হাতে সরাই কণ্টক বল্লরী,

সর্বশরীর কাঁটার আঘাতে আরক্ত বিক্ষত।

বিষধর সাপ পোকা ও মাকড়ে অরণ্য ছয়লাপ

কানে এসে ঠেকে ক্রূর শ্বাপদের ক্ষুধার্ত হুংকার।

 

আচমকা ভয়ে ঘেমেনেয়ে চোখ মেলে চেয়ে দেখি,

সে ইভা এখন ঘুমে আলুথালু, কবরী কুসুমে ঢাকা,

অনামিকা ঘিরে হিরের আংটি, দু’ঠোঁটে রুজের ছাপ।

সারা গা হতে ভিনদেশি কোনো আতরের নির্যাস,

ঘরের বাতাসে ছড়িয়ে দিচ্ছে বসন্ত পরিষেবা।

তার দুটো হাত গলদেশ ঘিরে নির্ভরতার ফাঁস।

তৃপ্ত শ্রীমুখ ভরসা পেয়েছে হৃৎকমলের কাছে।

 

◊♦◊

 

ভালবাসা যদি—

 

ভালবাসো কুয়াশার আঁধি কিংবা কুজ্ঝটিকা হলে,

হাতে হাত রেখে কত দূর যেতে পারি মগ্ন অভিসারে!

ভালবাসো যদি হয় সাতরঙা রামধনু শরৎ আকাশে,

রিমঝিম বৃষ্টিভেজা মোলায়েম সোনালি রোদ্দুরে,

কিংবা শিশিরের হিরেকণা হয়ে ওঠে ঘাসের শিয়রে,

তবে একসাথে হাঁটা যায় হাজার যোজন,

এলোমেলো আঁকাবাঁকা রুখাশুখা মেঠোপথ ধরে।

যদি অন্ধকার নেমে আসে পৃথিবীর পিঠের ওপর,

আমি তুমি ক্লান্ত ডানা‌ পিপাসার্ত চকোর চকোরী

আঁধারের অন্তঃপুরে খুঁজে নেব প্রণয়বাসর।

 

◊♦◊

 

অসফল প্রণয়ের প্রতিকৃতি

 

আমি বারংবার দাঁড়িয়েছি গ্রীষ্মের অপরাহ্ন তাপে।

আনত মস্তক যবুথবু বেঁটেখাটো ছায়ার ভিতর,

খুঁজেছি তোমার মুখ ছাতিমের ছড়ানো চিকুর।

ঝরে পড়া ঘামে সন্তরণ সুনির্মল ডুবস্নান সেরে

আরাধ্যার পূজাআর্চা করেছি নিষ্পাপ হৃদয়ে।

বুকের বাঁ-ধারে রাখা ফাল্গুনের ঝরাপাতা,

গোছা গোছা প্রেমপত্রে সুবিন্যস্ত সবুজ লিখন,

অশ্রু ঘামে একাকার এলোমেলো কালো আঁকিবুকি,

আঁতিপাঁতি খুঁজে কোথাও পাইনি তবু্ সে চেনা আদল।

 

পড়তি বিকেলে আলতা রং রৌদ্রের রক্তিম ইজেলে,

লজ্জারাঙা মুখ হত তরতাজা বসরাই গোলাপ।

এখন ঈশানের মেঘপুঞ্জ ঢেকে দেয় সব কারুকাজ।

বারুদের কটু ঝাঁঝে গোলাপের গন্ধ উবে যায়।

নক্ষত্রের আলো কিংবা জ্যোৎস্নার ঝর্নাধারা নয়,

বজ্রের অগ্নিঝলকে ঝলসে যায় উদভ্রান্ত চোখের নজর।

হৃদয়ের ক্যানভাসে এঁকে রাখা আরাধ্যার চিত্রলেখা,

অজানা শংকায় ডুবে যায় অন্ধকার সমুদ্রের জলে।

সে সমুদ্র তোলপাড় লবেজান আমি তার পাই না হদিস।

 

◊♦◊

 

দুরন্ত ঘোড়া তুরন্ত দৌড়

 

লাগাতার ছুটে ঝরাচ্ছি আমি সাত সমুদ্র ঘাম।

সামনের পথ পিছল হচ্ছে, কত‌ দূরে যেতে হবে?

প্রান্তপথের দিশার নকশা দেয়নি পথিকৃৎ।

আর কতকাল এভাবে ছুটব জানতে পারিনি আমি।

পথের দু’পাশে বৃক্ষবীথির সবুজের উদ্ভাস,

মাথার উপর গগনপটুয়া কত শত ছবি আঁকে,

ইন্দ্রধনুক তারা-জোনাকির আলো অরূপ চন্দ্রহাস,

মেঘপুঞ্জের অলকা চিকুরে এলোমেলো দৌড়ঝাঁপ,

একপলকের তাকিয়ে দেখার হয়নিও অবকাশ।

পায়ের তলায় পিষে মরে যায় লাখো লাখো পিপীলিকা,

ঘাসের শিয়রে শিশির-কান্না শুনতে পাই না আমি।

 

দুরন্ত ঘোড়া তুরন্ত দৌড় রাতদিন ঘুমহীন,

কলজে মগজ ছোটার কদম অচল অবশ প্রায়,

মুখ থুবড়ে পড়ার মাহেন্দ্রক্ষণ কখন সুস্বাগত?

প্রভাত গোধূলি সায়ংসন্ধ্যা আট প্রহরের দৌড়,

কতদূর গেলে কিনতে পারব সাড়ে তিন হাত জমি?

এসব প্রশ্নে অদৃশ্য সেই মহান‌ পথিকৃৎ,

চির উদাসীন ভাবলেশহীন মৌন নির্বিকার।

তাই রোদ জল জাড় তুষারঝঞ্ঝা মরুপ্রদেশের ঝড়ে

ক্লান্ত পথিক বিরামবিহীন দৌড়ে চলেছি আমি।

 

◊♦◊

 

অকূল মাঝির বসতবাড়ি

 

মেঘ জমেছে অকূল মাঝির বসতবাড়ির কাছে।

সে বাড়ি নয় অট্টালিকা আকাশছোঁয়া ছাদ

চাঁদ রূপসীর সঙ্গে তার হয় না মুলাকাৎ

খড়বিচালির ভাঙা কুঁড়ে দেরাজ হাটখোলা

ঝরোকাগুলোয় জাফরি নেই, ছাদের মাথায় ছ্যাঁদা।

ঘরেতে নেই বাসনকোসন বাক্সপ্যাঁটরা কিছু

খোলা‌ হাওয়ার উঁকিঝুকি দেদার চলাফেরা।

অকূল নাইয়ার কী আসে যায় রোদ বর্ষা ঝড়ে!

চাঁদনি রাত দুপুর রোদ অমারাতের কালো

জলের ওপর ভাসিয়া ‘না’ উজান ভাটায় চলা।

 

মেঘ জমেছে অকূল মাঝির বসতবাড়ির কাছে,

মেঘের সঙ্গে আড়ি করা তার কি এখন সাজে!

আকাশভাঙা জলের তোড়ে বাড়ুক নদীর জল,

মেঘের ভিতর বাজের কড়াৎ হাসুক খলখল।

যাক ভেসে যাক বসতবাড়ি দু’কূল ছাপা জলে।

নৌকোখানি অটুট থাক ভাসুক অকূল জলে

ওটাই তার ঘরকন্না জীবনপ্রীতি যাপন সম্বল।

 

(না— নৌকো এবং নাইয়া— নাবিক/ মাঝি/ পেশাগত আঞ্চলিক পদবি)

 

◊♦◊

 

হলুদ জামা ও কালো বিছানা

 

ভোরের কুয়াশা ফেঁড়ে সূর্য তার সাজায় সংসার।

সোনালি ডানার পাখি প্রভাতী রোদ্দুর উড়ে এসে

আমার ধূসর উঠোনে খোঁজে, প্রাতরাশ দানা।

সারারাত অভুক্ত ঘুমহীন শীতার্ত শিশুরা

নতুন হলুদ জামায় ঢেকে আদুল শরীর,

পাখিটাকে কানামাছি খেলার নিকটবন্ধু ভেবে

খুদে আঙিনায় মহানন্দে লুটোপুটি খেলা খেলে।

 

আমি সূর্যপ্রণাম আর সকালের প্রাণায়াম সেরে

নেমে পড়ি দানাপানি কানাকড়ি যোগাড়ের পথে।

দুপুরের খরতাপে অশ্রু ঘামে নাজেহাল জেরবার,

হিম হতাশায় শূন্য ভিক্ষেথলি হাতে ঘরমুখো হই।

ঘরে ফিরে দেখি শিশুদের গায়ে নেই সে নতুন জামা

হলুদপাখিটা গোলাপি আবির মেখে সায়ংসন্ধ্যায়

ফিরে গেছে পশ্চিমী পাহাড় পার অন্য কোনো দেশে।

শিশুরা নেতিয়ে পড়ে‌ছে ফের রাত্রির কালো বিছানায়।

 

◊♦◊

 

ঋতুসংহারের গল্পগাছা

 

পাহাড়ি অরণ্যঘেঁষা কোনো এক স্থানে জনশ্রুতি,

স্বর্গ হতে নেমে আসে সালংকারা ষোড়শী রূপসী,

লতাকুঞ্জে হাওয়া দোলনায় দোলে ফাল্গুনী রাতে।

চারপাশে গড়ে ওঠা নয়া নয়া অতিথিশালায়

সে দৃশ্য দেখার জন্য প্রায়শই শত শত পর্যটক আসে।

রুদ্ধকাম বৃদ্ধস্বামী সহ জনৈক তিরিশের নবপরিণীতা

সেখানে হাজির হয় মধুচন্দ্রা যাপনের মগ্ন অভিপ্রায়ে।

 

বৃদ্ধের হৃদয়ে ও চোখেমুখে প্রতিবর্ত বসন্তবিলাস,

কাহিল শরীরে নেই দহনের যুৎসই সুদাহ্য ইন্ধন।

নবোঢ়ার মনে ও শরীরে মজুত টাটকা বারুদ

স্ফুলিঙ্গের আসঙ্গলিপ্সায় উন্মাদ উন্মুখ।

সারাদিন ঘুরে ঘুরে তারা দেখে নিসর্গের শোভা,

হরিণহরিণী আর পাখিদের যূথবদ্ধ প্রণয়-বিহার।

রাতের বিছানা শ্মশানের নিস্তব্ধ পরিত্যক্ত চিতা।

 

একদিন পড়তি বিকেলে ফোয়ারায় সান্ধ্যস্নান

অঙ্গরাগ প্রসাধন-শেষে নববধূ হাসিমুখে বলে—

‘পাহাড়ি ঝোরার কাছে কোনো এক নির্জন গুহায়

কবিরাজী জ্ঞান আছে জনৈক যুবক সন্ন্যাসী

যৌবনের সঞ্জীবনী জড়িবুটি, তাগা, সালসা দেয়,

আমি গিয়ে নিয়ে আসি, রাতগুলো বর্ণময় হবে।’

তারপর প্রতীক্ষায় বহুরাত বহুদিন অতিক্রান্তপ্রায়

সে আর ফেরেনি অথর্বের ভাড়া করা অতিথিশালায়।

সে বৃদ্ধ এখন বদ্ধপাগল অর্ধনগ্ন বোবা পর্যটক

পাহাড়ি ঝোরার কাছে খুঁজে চলে সন্ন্যাসীর গুহা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eighteen − eight =

Recent Posts

মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো

বাংলাদেশের নানা জেলার‌ রামকৃষ্ণ মিশনে ঘোরার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সব জায়গাতেই আচারপরায়ণ মহারাজ ও ব্রহ্মচারীদের সুমধুর ব্যবহার। এখানে এসেই যখন এখানকার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী একনাথানন্দজির সঙ্গে আলাপ হল, মুহূর্তের মধ্যেই তিনি অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলেন। আমাকে পূজামণ্ডপে নিয়ে তাঁর কাছে বসালেন। ষষ্ঠীর রাতে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান‌ ছিল। আমাকে দিয়েও বস্ত্রদান করালেন। এই যে আচরণ, এতে করে আমি যে কী পরিমাণ সম্মানিত বোধ করলাম, তা বলার‌ নয়। কেবল‌ তাই নয়, সমবেত দর্শক-শ্রোতার সামনে আমাকে কিছু বলার আমন্ত্রণ-ও জানালেন। আমাকে আপ্লুত করল তাঁর এই আহ্বান।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

দুর্গাপূজা ও প্রসঙ্গত

এতদিন ধরে অন্য কোনও দেবদেবীর পুজো কোথাও হয় না। দুর্গাপুজোর এটি একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। আরও একটি বৈশিষ্ট্য, এই পুজো উপলক্ষে কত যে পত্রপত্রিকা বেরোয়, তার কোনও সীমা নেই। কলকাতা যেহেতু এ-পুজোর প্রাণকেন্দ্র, স্বভাবতই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি পুজোসংখ্যা পত্রিকা বেরোয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা বিরাট আকারে পুজোর অর্ঘ্য সাজায়। প্রসঙ্গত, সত্যজিৎ রায় তাঁর যে দু’টি ভিন্নধারার লেখার মাধ্যমে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের ওপর জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তা কিন্তু এই পুজোর ‘দেশ’ আর’ আনন্দমেলা’-র সূত্রেই।

Read More »
পবিত্র সরকার

পবিত্র সরকারের বিশেষ রচনা

বাংলাদেশের প্রগতিশীল মানুষদের রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে একটু বেশি দুর্বলতা আছে। রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে যত কিছু, তাঁদের কাছেও তত কিছু তো বটেই, কিন্তু তারও চেয়ে অনেকটা বেশি। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেনাপতি। বাহান্নর ভাষা-আন্দোলনের সময় থেকে, আয়ুব শাহি ফরমানে রেডিয়োতে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষেধ আর রবীন্দ্র-শতবার্ষিকীর ওপর ফতোয়া জারি থেকে রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের এক মহাশক্তিধর যোদ্ধা, তাঁর সম্বন্ধে এঁরা তাই এত স্পর্শকাতর।

Read More »
মীরাতুন নাহার

মীরাতুন নাহারের প্রবন্ধ

হিন্দু-সাম্প্রদায়িকতা এবং মুসলমান-সাম্প্রদায়িকতা উভয়কেই তিনি যুক্তি ও তথ্যদ্বারা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধ্বংসাত্মক বলে বোঝাতে চেয়েছেন দেশবাসীকে। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের দ্বারা অনুপ্রাণিত দেশবাসীকে তিনি হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িকতার বিপদ সম্পর্কে অধিকতর সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যদিও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ‘সাম্প্রদায়িকতার বিষ’ দেশবাসীর মন থেকে নিষ্কাশন করে দেশকে বিপন্মুক্ত করা।

Read More »
গৌতম ঘোষ

গৌতম ঘোষের প্রবন্ধ

চলচ্চিত্রের ধর্ম হল সময়কে ধরে রাখা, সময়ের স্মৃতিমালাকে ধরে রাখা। সেই পদ্ধতি, সেই প্রক্রিয়া কিন্তু চলতেই থাকবে। এখন আমাদের আরও মানবিক হতে হবে। চলচ্চিত্র যারা তৈরি করবেন তারা শুধুমাত্র সস্তার বিনোদন সরিয়ে রেখে একটু মানবিক ছবি করবেন। যেখানে প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক, মানুষ ও সমাজের সম্পর্ক, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক থাকবে। যা আমরা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক সব সিনেমায় দেখেছি, সেই ভাবনায় ভাবতে হবে।

Read More »
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের বিশেষ নিবন্ধ

বস্তুত সুকান্ত কবিতার চাইতে বড়। তিনি এক প্রতীকচিহ্ন। সারা ভারতে যখন কবিকে ভাবা হয়েছে জনতার একজন প্রতিনিধি হিসেবে, তখন সুকান্তকেই ভাবা হয়েছে। তামিল বা হিন্দি সিনেমাতেও হয়েছে। যেমন রাজেশ খান্নার ‘অনুরোধ’ নামের ছবিটিতে যে কবিটি রাজেশের বন্ধু ছিলেন তার নাম সুকান্ত। অথবা অতদূরে কেন যাই, বাংলায় উত্তম-তনুজার ‘দেনা পাওনা’ ছবিতে উত্তম যে বন্ধুর চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসেন, তার নামও তো সুকান্ত। তিনিও তো ফুসফুসের রোগী।

Read More »