বাঘ
কালো রাত্রির দাগগুলো
বসে যাচ্ছে গভীর ক্ষতের মতো
তবু জীবনকে আরেকবার সাজিয়ে নেওয়া
সুষমায় সৌন্দর্যে, বিশ্বাসে সততায়।
মানুষ-জন্মের যত উদ্যম
সমস্ত ঢেকে দেয় ওই রাত্রির কালো
যেন রাত্রির রঙে কোনও চাবকানো শরীর।
কোনও কোনও মানুষকে তাই ডোরাকাটা বাঘ মনে হয়
থাবা পেতে চুপচাপ বসে থাকে তারা
প্রচণ্ড গর্জনে কোনওদিন লাফিয়ে ওঠার অপেক্ষায়
*
বিপরীত ক্রীড়া
যেমন ভিড়ের ভেতরেও নিঃসঙ্গ আমি
তেমনি একা থেকেও শুনি আমি ভিড়ের আওয়াজ
তীরে এসেও যেমন চোখে জাগে অপার বিস্তার
মাঝসাগরে ভেসেও আমি পাড়ের রেখা দেখি
আমার এই বিপরীত ক্রীড়ায় তুমি ভীষণ নাস্তানাবুদ
কখনওসখনও তাই দ্রোহ জাগে
দু-হাতে তুমি আগুনের ফুলকি ওড়াও
চোখে-মুখে যেন তুবড়ির স্ফুরণ।
আমার উঠোন ভরে যায়, শরীর পোড়ে
এমন ক্রোধে আমার জল হয়ে যায় সবকিছু
আমি কেটে দিই বাঁধ, উল্টোদিকে ছোটে বান
তুমি ভাসতে থাকো, বহু দূরদূরান্তে ভেসে ছোট্ট হয়ে যাও
আমি জোয়ারের অপেক্ষা করি।
চিত্রণ: বাপ্পাদিত্য জানা





