Search
Generic filters
Search
Generic filters
ভাস্কর দাস

ভাস্কর দাস

ডা. ভাস্কর দাস পেশায় অস্থি-চিকিৎসক। পাশাপাশি ছবি তোলার নেশায় নিউ ইয়র্ক ইনস্টিটিউট অফ ফটোগ্রাফি থেকে স্নাতক হওয়া। দেশি বিদেশি কিছু সম্মান ও পুরস্কার প্রাপ্তি। বাংলায় লেখার নেশা। প্রায় নিয়মিত লেখক ভ্রমি, হরপ্পা, ভ্রমণআড্ডা ইত্যাদি পত্রিকার, লেখা প্রকাশিত দেশ পত্রিকায় একাধিকবার। প্রকাশিত বই তিনটি। ‘টাইম লাইন আলাস্কা’, ‘এক চামচ বিদেশ’ ও ‘কোভিড ১৯ – এক বিভ্রান্তির সন্ত্রাস’।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ভ্রমণ লেখার অ-শরীরী সারজল

ভ্রমণ সম্পর্কে সবচেয়ে রোমান্টিক ও সংক্ষিপ্ত সংলাপটি শতবর্ষ পেরিয়ে গড়িয়ে গেল আরও দুটো বছর। ‘‘বিকজ ইট’স দেয়ার।’’— তিনটি শব্দের সমাহারে গড়ে ওঠা আপাতনিরীহ বাক্যটি তার

Read More »

ঘুড়ির মেলায় অন্য গোলার্ধে

ভালভাষা উৎসব সংখ্যা ২০২৩। এসে গেছি লিংকন সিটি বিচে! তাকে চেনা যাচ্ছে সেখানে ওড়া ঘুড়ির সমারোহ দেখে। আজ এখানেই কাইট ফেস্টিভ্যাল। খালের মতো ডি নদী এখানে বিশাল ডেভিলস লেকের সঙ্গে সমুদ্রকে যুক্ত করেছে। গিনেসের রেকর্ডে ডি নদী একসময় পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম নদীর শিরোপা পেয়েছিল। লিখেছেন ভাস্কর দাস।

Read More »

বিশেষ নিবন্ধ: ইতিহাসের আইসল্যান্ড

India’s First Bengali Daily Magazine. যেখানে সাক্ষর মানুষের সংখ্যা একশো শতাংশ, মাথাপিছু আয়ে যারা পৃথিবীতে প্রথম তিন দেশের এক দেশ, যেখানে প্রতি দশজন মানুষের একজন অন্তত একটি বইয়ের লেখক, যারা বড়দিন উদ্‌যাপন করে বন্ধু ও প্রতিবেশীকে বই উপহার দিয়ে, বেশ্যাবৃত্তি যেখানে একটি প্রায় অশ্রুত শব্দ, টহলদার পুলিশের হাতে একটি লাঠিও থাকে না, আর বাজেটে সেনাবাহিনীর জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ শূন্য, কারণ এ দেশে কোনও সেনাবাহিনীই নেই। দেশের সংশোধনাগারগুলি বন্ধের মুখে, কারণ রাখার মত অপরাধী খুঁজে পাওয়া ক্রমশই দুষ্কর হয়ে পড়ছে।

Read More »

দার্জিলিং

India’s First Bengali Story Portal. নীলবর্ণ ভিন্টেজ স্টিম-ইঞ্জিনের বেলাগাম হুইশিল বাজে। অনভ্যস্ত কানে তার অভিঘাত বাল্যকালের আঁতুড়ঘর থেকে হাফ প্যান্ট বালকের স্মৃতি বয়ে আনে। ভক্ ভক্ কালো ধোঁয়ার সঙ্গে নানা মাপের ফুটো থেকে নির্গত সাদা বাষ্পের ত্রিকোণ অবয়ব মেশে দার্জিলিংয়ের হিমেল কুয়াশার বিষণ্ণতায়। নড়ে ওঠে কামরা, প্রভূত শব্দ উৎপাদন করে ট্রেন ছাড়ে। তার আগাগোড়া যাত্রায় আওয়াজ যত গর্জায়, বেগ তত বর্ষায় না। ঢিমে তেতালার আবেগী যাত্রা ছুঁয়ে যায় গৃহস্থের উঠোন, কাঠগোলাপের ঝোপে ঢাকা পাঁচিলের কানা। টয়ট্রেনের ‘হেরিটেজ’ তকমা সার্থক হতে থাকে।

Read More »

মহাজনী সভ্যতা

অর্থের লোভ আজ মানবিক অনুভূতিগুলোকে সম্পূর্ণ গিলে ফেলেছে। আজ আভিজাত্য, ভদ্রতা আর গুণের একমাত্র মাপকাঠি হল টাকা। যার কাছে টাকা আছে, তার চরিত্র যত কালোই হোক, সে-ই দেবতা। সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প— সবই আজ টাকার পায়ে মাথা ঠুকছে। এই বিষাক্ত বাতাসে বেঁচে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ ডাক্তাররা মোটা ফিজ ছাড়া কথা বলেন না, আইনজীবীরা মিনিটের হিসাব করেন মোহর দিয়ে। গুণ ও যোগ্যতার বিচার হয় তার বাজারমূল্য দিয়ে। মৌলভি-পণ্ডিতরাও আজ ধনীদের কেনা গোলাম, আর সংবাদপত্রগুলো কেবল তাদেরই গুণগান গায়।

Read More »

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ইসলাম

হিন্দুকে মুসলমানদের আপন বলে মনে করতে হবে, একথা তিনি ‌বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। ‘যদি ভাবি, মুসলমানদের অস্বীকার করে একপাশে সরিয়ে দিলেই দেশের‌ সকল মঙ্গলপ্রচেষ্টা সফল হবে, তাহলে বড়‌ই ভুল করব’— বলেছেন তিনি। বাউলদের সাধনার মধ্যে তিনি হিন্দু-মুসলমানের সম্মিলন আবিষ্কার করেন, অনুবাদ করেন মারাঠি সন্ত কবি তুকারামের ‘অভঙ্গ’ যেমন, ঠিক তেমনই কবীরের দোহা। মধ্যযুগের মরমী সুফি কবি কবীর, জোলা, রজব, দাদু প্রমুখের জীবনবৃত্তান্ত উৎসাহের সঙ্গে জেনে নেন ক্ষিতিমোহন সেনের কাছ থেকে, আর সত্তরোর্ধ্ব কবি পারস্যে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসেন কবি হাফেজকে।

Read More »

বুদ্ধ: অন্ধকারে আলোর দিশারী

তিনি বলেন গেছেন, হিংসা দিয়ে হিংসাকে জয় করা যায় না, তাকে জয় করতে প্রেম ও ভালবাসা দিয়ে। মৈত্রী ও করুণা— এই দুটি ছিল তাঁর আয়ুধ, মানুষের প্রতি ভালবাসার, সহযোগিতার, বিশ্বপ্রেমের। তাই তো তাঁর অহিংসার আহ্বান ছড়িয়ে পড়েছিল দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে,— চীন, জাপান, মায়ানমার, তিব্বত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটানে। এই বাংলায় যে পালযুগ, তা চিহ্নিত হয়ে আছে বৌদ্ধযুগ-রূপে। সুদীর্ঘ পাঁচ শতাব্দী ধরে সমগ্র বাংলা বুদ্ধ-অনুশাসিত ছিল। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ বৌদ্ধ কবিদের দ্বারাই রচিত হয়েছে।

Read More »

স্যার রোনাল্ড রস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য

রোনাল্ড রসকে তাঁর গবেষণার সহায়তাকারী এক বিস্মৃত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭-১৯২৯)। তাঁর অবদান কিন্তু খুব কম নয়। তিনি ছিলেন রস-এর অধীনে সহ-গবেষক। রস নোবেল পেলে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীর নেতৃত্বে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, শিবনাথ শাস্ত্রী, আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল, রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ কিশোরীনাথের ভূমিকার বিষয়টি বড়লাট লর্ড কার্জনকে জানান। কার্জন এ-বিষয়টি ব্রিটিশ সরকারের গোচরে আনেন। এর ফলে ১৯০৩ সালে যখন দিল্লিতে দরবার বসে, তখন ডিউক অফ কনট-এর মাধ্যমে কিশোরীনাথকে ব্রিটিশরাজ সপ্তম এড‌ওয়ার্ড-এর তরফ থেকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। পরে কলকাতা
র সেনেট হলে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। সভাপতি ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ।

Read More »

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান ট্রাডিশন: হোয়েন আইনস্টাইন মেট টেগোর” গ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের বিবরণ পাওয়া যায়। এই বইতে বিশ শতকের শুরুতে ভারতের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণ এবং ভারতীয় ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।

Read More »

শতবর্ষী বাঙালি

বাঙালিদের মধ্যেও শতায়ু লোক নেহাত কম নেই। একটা কথা মনে রাখা জরুরি, বিখ্যাত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের আয়ু নিয়ে বিশেষ কোনও গবেষণা থাকে না। আবার একটু বেশি বয়স্ক মানুষকে শতায়ু বলে চালিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ-ও রয়েছে। তবে শতবর্ষের আয়ুলাভ যে মানুষের কাঙ্ক্ষিত, তা উপনিষদের‌ একটি বাক্যে সুন্দরভাবে ধরা পড়েছে— ‘জীবেম শরদঃ শতম্’, অর্থাৎ শতবর্ষ বাঁচতে ইচ্ছে করবে। কেবল অলস জীবন নিয়ে বাঁচবার ইচ্ছে করলেই হবে না, কর্ম করে বাঁচার কথাও বলা হয়েছে সেখানে— ‘কুর্বেন্নেবেহ কর্মাণি জিজীবিষেচ্ছতম্ সমাঃ’।

Read More »