Search
Generic filters
Search
Generic filters

বিধানচন্দ্র রায়: জন্মদিন মৃত্যুদিন

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস প্রয়াত হয়েছেন। ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় এলেন রবীন্দ্রনাথের কাছে, চিত্তরঞ্জনের প্রয়াণে শোকবার্তা প্রার্থনা করতে। স্বভাবরসিক রবীন্দ্রনাথ সেই নাজুক মুহূর্তেও খানিক রসিকতা না করে পারলেন না। ‘একটু অপেক্ষা করো বিধান। শোকবার্তা লেখা তো তোমার প্রেসক্রিপশন লেখা নয় যে ঝটিতি হয়ে যাবে।’ পরে তিনি যা লিখলেন দেশবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধায়, তা আমাদের সকলেরই জানা, ‘এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ,/ মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান’!

এই বিধানচন্দ্রকেই রবীন্দ্রনাথ আরও একবার অপেক্ষা করতে বলেছিলেন, জীবনের একেবারে অন্তিমপর্বে। তখন কবি মৃত্যুশয্যায়। বিধানচন্দ্র কবির বাড়িতেই অপারেশনের সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত। এখনি শুরু হবে শল্যপর্ব। রবীন্দ্রনাথ বললেন, ‘একটু অপেক্ষা করো বিধান। আমার বউমা (রথীন্দ্রনাথের স্ত্রী প্রতিমাদেবী) শান্তিনিকেতন থেকে চিঠি দিয়েছে আমাকে, আমি তার উত্তরটা দিয়ে নিই।’ অপেক্ষা করেছিলেন বিধানচন্দ্র, যে-কারণে রবীন্দ্রজীবনের অন্তিম চিঠিটি লেখা সম্ভব হয়েছিল। সে-চিঠি অবশ্য নিজহাতে লিখতে পারেননি কবি। কেবল কম্পিত হাতে নামস‌ই করেছিলেন। কবি মুখে মুখে বলে গেছেন, লিখে নিয়েছিলেন রাণী চন্দ। রসিক রবীন্দ্রনাথ নয়, সেদিন আমরা পেলাম কর্তব্যসচেতন কবিকে, যিনি উপনিষদের এই বাণী শিরোধার্য করে নিয়েছিলেন, ‘কাজ করতে করতেই শতবছরের আয়ু প্রার্থনা করবে’, ‘কুর্বেন্নেবেহ কর্মাণি জিজীবিশেচ্ছতম্ সমা:’!

বিধানচন্দ্র রায়। ডাক্তার (MRCP/ FRCS), শিক্ষাবিদ, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী, রাজনীতিবিদ, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, যিনি ছিলেন ‘পশ্চিমবঙ্গের রূপকার’, জন্মেছিলেন পয়লা জুলাই, ১৮৮২-তে। তিনি প্রয়াতও হন এ একই তারিখে, অর্থাৎ পয়লা জুলাই, ১৯৬২-র। উল্লেখ্য, শেরে বাংলা ফজলুল হক, অখণ্ড বাংলার একদা প্রধানমন্ত্রী ও পরে পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী-ও সেই একই বছর মারা যান।

অঘোরকামিনী-প্রকাশচন্দ্রের ছয় সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ বিধানচন্দ্রের জীবনের কোন পর্ব দিয়ে তাঁর জীবনী অনুসরণ করা যায়? কেশবচন্দ্র সেনের নববিধান ব্রাহ্মসমাজের ‘বিধান’ অনুসৃত হয়েছে তাঁর নামকরণের ক্ষেত্রে। তাঁর পিতা ছিলেন এই সম্প্রদায়ের। বিস্ময়কর কম সময়ের মধ্যে তিনি FRCS এবং MRCP হন, অর্থাৎ শল্যচিকিৎসক ও ঔষধবিশেষজ্ঞ।

বিলেত থেকে ডাক্তারি পাশ করে এসেও কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে চাকরি পাননি তিনি। তাই মেইল নার্সের চাকরি নিতে হয়েছিল তাঁকে, চালাতে হয়েছিল ট্যাকসিও!

বিহারের পাটনা জেলার বাকিপুরে জন্ম। ১৯৯৭-তে ম্যাট্রিক পাশ করার আগেই মাতৃবিয়োগ হয়। এফ‌ এ পড়েন কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। ফের পাটনা কলেজ, অঙ্কে অনার্স পাশ করেন সেখান থেকে। শেরে বাংলা-ও, মজার ব্যাপার, অঙ্কে মাস্টার্স!

এরপর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হলেন তিনি। ১৯০১। এঞ্জিনিয়ার হ‌ওয়ার ইচ্ছেও কিন্তু ছিল। ১৯০৯-এ বিলেত গেলেন ডাক্তারিতে উচ্চশিক্ষা নিতে।

এসময়ে তার জীবনে অত্যাশ্চর্য একটি ঘটনা ঘটে। ডাক্তারিতে তিনি ভর্তি হতে পারছিলেন না ভর্তির তারিখ পার হয়ে যাওয়ায়। তিনি যেখানে ভর্তি হবেন, সেসময়ে সেখানে একজন রোগীকে নিয়ে এলেন রোগীর পরিবারের লোকজন। রোগীকে দেখেই বিধানচন্দ্র বলে দিলেন, রোগীর চিকেন পক্স হয়েছে। অথচ রোগীর গায়ে কিন্তু গুটি বেরোয়নি তখনও। ওখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁর কাছে জানতে চাইলেন, কীভাবে বিধানচন্দ্র রোগ শনাক্ত করলেন? তিনি বললেন, রোগীর শরীরের গন্ধ থেকে। দুদিন পর তাঁর কথাই সত্য প্রমাণিত হয়েছিল, গায়ে বসন্তের গুটি বেরিয়ে। অত‌এব ভর্তি হতে আর আর বাধা র‌ইল না।

পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ-গান্ধী-জ‌ওহরলালদের‌ চিকিৎসার ভার থাকত তাঁরই ওপর। ১৯৩০-এ রাজনীতি করার কারণে যখন তিনি কারাদণ্ড ভোগ করেন, সাধারণ কয়েদিদের চিকিৎসা করবেন বলে তিনি প্রথম শ্রেণির বন্দির সুবিধাদি ছেড়ে সশ্রম কারাদণ্ডের প্রার্থনা জানান জেল কর্তৃপক্ষকে। নিয়মবহির্ভূত হলেও তাঁর আবেদন মঞ্জুর হয়েছিল। ১৯১৩-৪৮ পর্বে গান্ধীজি যতবার অনশন করেছেন, বিধানচন্দ্র গান্ধীজির শয্যাপার্শ্বে। তাঁর সম্পর্কে গান্ধীর উক্তি, ‘Bidhan, the safety hand of India’!

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের হাত ধরে বিধানচন্দ্র রাজনীতিতে এলেন ১৯২৩-এ। পরে তিনি গান্ধীবাদী হন। রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো দেশবরেণ্য নেতাকে হারিয়ে বিধানচন্দ্র আইনসভার নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৩১-৩৩ পর্যন্ত তিনি কলিকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন। দেশ স্বাধীন হলে ১৯৪৮ সাল থেকে তিনি হন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, যে-পদে তিনি আমৃত্যু বহাল ছিলেন।

একদিকে পূর্ববঙ্গ থেকে আগত লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তুর আগমন, অন্যদিকে তীব্র বেকারসমস্যা, এই দুই বিশাল চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়ে তিনি দুটোরই সুষ্ঠু সমাধান করে গেছেন। রাজ্যের রাজধানী কলকাতার জনভার কমাতে তিনি রাজ্যের অন্যত্র শহর গড়ে তোলেন, সল্টলেক, কল্যাণী, দুর্গাপুর, অশোকনগর-কল্যাণগড়, হাবরা।

ছিলেন মেডিক্যাল কলেজ ও পরে নীলরতন হাসপাতালের ডাক্তার। তাছাড়া বাড়িতে প্রতিদিন বিনামূল্যে রোগী দেখতেন বারোমাস।

শিক্ষাক্ষেত্রেও তাঁর অবদান কম নয়। প্রাথমিক শিক্ষাকে তিনি অবৈতনিক করেন। শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি ঘটান। প্রতিষ্ঠা করেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। স্থাপন করেন রোগনির্ণয় গবেষণাকেন্দ্র। শিল্প-সংস্কৃতির অঙ্গনে তিনি অবিস্মরণীয় হয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি সাহায্যদানের মাধ্যমে। ঢেলে সাজিয়েছেন কলিকাতা রাষ্ট্রীয় পরিবহণকে, হরিণঘাটা দুগ্ধ প্রকল্প চালু করে মিটিয়েছেন রাজ্যের দুগ্ধ-সংকট। দুর্গাপুর-বার্নপুর-আসানসোলে একের পর এক শিল্পকারখানা গড়ে তুলে যেমন বহু মানুষের রুজি-রোজগারের ব্যবস্থা করেছেন, তেমনই রাজ্যে এনেছেন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। বহু পতিত জমি উদ্ধারের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রেও বাড়িয়েছেন ফলন। বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী পাটচাষের বিস্তৃতি ঘটিয়েছেন রাজ্যে।

তিনি নিজে স্বনামধন্য শিক্ষক। তাই চিকিৎসাব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কলকাতায় হার্ট সার্জারির সূচনা সহ বহু হাসপাতাল নির্মাণ ছিল তাঁর কাজের অন্তর্গত।

২৩. ০১. ১৯৪৮ থেকে আমৃত্যু, অর্থাৎ ০১. ০৭. ১৯৬২ পর্যন্ত ছিল মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কার্যকাল। বহু সমস্যাকণ্টকিত রাজ্যটিকে তিনি যে দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে গেছেন, সেজন্য দেশে ও বিদেশে নন্দিত তিনি আজও। তাঁর জন্মদিনটি ভারতে জাতীয় চিকিৎসক দিবসরূপে পালিত হয়। ১৯৬১-তে তিনি দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’-তে ভূষিত হন।

তাঁর জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ এক হ‌ওয়ায় দেশবন্ধুজায়া বাসন্তীদেবীর মন্তব্য, ‘বিধান পুণ্যাত্মা। তাই জন্মদিনেই চলে গেল’!

চিত্র: গুগল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 × 3 =

Recent Posts

মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

নারায়ণগঞ্জের দুর্গাপুজো

বাংলাদেশের নানা জেলার‌ রামকৃষ্ণ মিশনে ঘোরার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সব জায়গাতেই আচারপরায়ণ মহারাজ ও ব্রহ্মচারীদের সুমধুর ব্যবহার। এখানে এসেই যখন এখানকার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী একনাথানন্দজির সঙ্গে আলাপ হল, মুহূর্তের মধ্যেই তিনি অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলেন। আমাকে পূজামণ্ডপে নিয়ে তাঁর কাছে বসালেন। ষষ্ঠীর রাতে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান‌ ছিল। আমাকে দিয়েও বস্ত্রদান করালেন। এই যে আচরণ, এতে করে আমি যে কী পরিমাণ সম্মানিত বোধ করলাম, তা বলার‌ নয়। কেবল‌ তাই নয়, সমবেত দর্শক-শ্রোতার সামনে আমাকে কিছু বলার আমন্ত্রণ-ও জানালেন। আমাকে আপ্লুত করল তাঁর এই আহ্বান।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

দুর্গাপূজা ও প্রসঙ্গত

এতদিন ধরে অন্য কোনও দেবদেবীর পুজো কোথাও হয় না। দুর্গাপুজোর এটি একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। আরও একটি বৈশিষ্ট্য, এই পুজো উপলক্ষে কত যে পত্রপত্রিকা বেরোয়, তার কোনও সীমা নেই। কলকাতা যেহেতু এ-পুজোর প্রাণকেন্দ্র, স্বভাবতই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি পুজোসংখ্যা পত্রিকা বেরোয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা বিরাট আকারে পুজোর অর্ঘ্য সাজায়। প্রসঙ্গত, সত্যজিৎ রায় তাঁর যে দু’টি ভিন্নধারার লেখার মাধ্যমে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের ওপর জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তা কিন্তু এই পুজোর ‘দেশ’ আর’ আনন্দমেলা’-র সূত্রেই।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

মহালয়া

এই চণ্ডীপাঠকে অভাবিত মাত্রা দিয়েছে কলকাতার আকাশবাণী কেন্দ্র। ১৯২৭ সালে স্থাপিত হওয়া এই বেতার প্রচারকেন্দ্র থেকে (তখন নাম ছিল ‘Indian State Broadcasting Service’) ১৯৩১-এর ১১-ই অক্টোবর সর্বপ্রথম মহালয়ার অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। স্তোত্রপাঠে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। পরিকল্পনা বাণীকুমার, প্রকৃত নাম বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য। সঙ্গীত পরিচালনায় রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিক। অচিরেই এটি তুমুল জনপ্রিয় হয়। অদ্যাপি, প্রায় শতবর্ষ হতে চলল, অনুষ্ঠানটির জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে শিল্পীর পরিবর্তন হয়েছে, মহালয়ার প্রাক্-সূর্যোদয়ে এখনও কী কলকাতা, কী কানপুর-ঢাকা-ম্যাসাচুসেটস-আগরতলা-আন্দামান-মেহেরপুর-টোকিওর বাঙালি এটা শুনতে ভোলেন না।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

চিরজীবী বিদ্যাসাগর

বিদ্যাসাগর ‘বর্ণপরিচয়’ লেখার মাধ্যমে শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৮৫৫-র ১৪-ই এপ্রিল, অর্থাৎ ১২৬২-র পয়লা বৈশাখ এর প্রথম খণ্ড, ও সে বছরের-ই পয়লা আষাঢ় বইটির দ্বিতীয় খণ্ড বেরোয়। এর আগেও শিশুদের অক্ষর পরিচয় ও বাক্যগঠনের বেশ কিছু বই থাকলেও বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ উপযোগিতার দিক দিয়ে সেগুলিকে, ও পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের ‘সহজপাঠ’-কে বহুগুণে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তাঁর জীবিতকালেই বইটির ১৫০-এর ওপর সংস্করণ হয়, আর ছাপা হয়েছিল তিরিশ লাখের-ও বেশি। এখন-ও ও বইটির উপযোগিতা শেষ হয়ে যায়নি।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

অজানা বিভূতিভূষণ

নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন বলে দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা নিয়ে তাঁর নিজস্ব এক দর্শন ছিল। তাই দেখি, ডায়েরির এক জায়গায় তিনি লিখছেন, ‘দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ— Sadness ভিন্ন profundity আসে না।’ অতীত দারিদ্র্যময় জীবনের কথা মনে করে নিজে সপ্তাহে একদিন শুধু নুন আর ভাত খেতেন।

Read More »
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায়

উত্তম উত্তম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কম মহা-অভিনেতা জন্মাননি। তাঁদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজন আল পাচিনো, মার্লোন ব্র্যান্ডো, রবার্ট ডি নিরো, লরেন্স অলিভিয়ার, গ্রেগরি পেক, জিন-পল বেলমন্ডো, ব্রুস লি, ইনোকেন্তি স্মোকতুনভস্কি, জিন গ্যাবিন, মাইকেল কেইন প্রমুখ। কিন্তু কতজন মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও জনপ্রিয়তা বাড়িয়েই চলেছেন? সম্ভবত চার্লি চ্যাপলিনের পর একমাত্র উত্তম। এলিজাবেথ টেলর ‘নায়ক’ দেখে আপ্লুত হয়ে যে উত্তমের সঙ্গে ছবি করতে চেয়েছিলেন, উত্তমের অভিনয়ের এ-ও তো এক অনিবার্য স্বীকৃতি!

Read More »