
গোবিন্দ কুণ্ডুর কবিতা
গো বি ন্দ কু ণ্ডু দিশাহীন নিদ্রাহীন প্রতিটি রাত্রি কাটাই গভীর হতাশা নিয়ে, আমি কারও স্বপ্নের রাজপুত্র হয়ে উঠিনি কোনও দিন। এই পৃথিবীর মায়াজালে জড়ানো

গো বি ন্দ কু ণ্ডু দিশাহীন নিদ্রাহীন প্রতিটি রাত্রি কাটাই গভীর হতাশা নিয়ে, আমি কারও স্বপ্নের রাজপুত্র হয়ে উঠিনি কোনও দিন। এই পৃথিবীর মায়াজালে জড়ানো

আমার মন সংকীর্ণ গণ্ডির মধ্যে আছ, তাই বোঝোনি কত বড় এই পৃথিবী, আমার মন আর আকাশের বুক। বুক চিরে যদি দেখানো যায়, দেখা যেতেও পারে

র ণ বী র দ ত্ত রাত্রির মধ্যে এক রাত্রি দুমকার পথে যেতে আমার কুঁড়েতে তোমাকে রাখতে চাই সারা দুপুর একা বসে থাকে রোগা রোগা

হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি, শ্রয়েডিংগারের বেড়াল ও একটি সম্পর্ক সু ন ন্দ অ ধি কা রী একবার রাস্তার দিকে, পরক্ষণেই আবার ব্রিজটার দিকে ঘুরে দেখছি আমি।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ যে প্রকৃত বাংলা ভাষার স্বপ্ন দেখেছেন, সে লোকায়ত বাংলা ভাষা প্রথম সফলভাবে সাহিত্য সভায় এসেছিল চৈতন্য প্রভাবেই। বর্তমানে বাংলা ভাষা যে অন্তর্জাল-আন্তর্জাতিকতার আলোয় অবহেলিত তা থেকে মুক্ত করার উপায়ও ঐ শ্রীচৈতন্যের চেতনাজাত মানবিক প্রেম-ভক্তি তথা ‘অচিন্ত্যভেদাভেদতত্ত্ব’ চর্চায়।

গো বি ন্দ কু ণ্ডু দিশাহীন নিদ্রাহীন প্রতিটি রাত্রি কাটাই গভীর হতাশা নিয়ে, আমি কারও স্বপ্নের রাজপুত্র হয়ে উঠিনি কোনও দিন। এই পৃথিবীর মায়াজালে জড়ানো

বর্তমান সময়টা হয়তো সুখের নয়। চারিদিকে তাকালে মনে হয় দুর্ভেদ্য দেয়াল ঘেরা ‘রক্তকরবী’র যক্ষপুরী যেন। ‘রক্তকরবী’ নাটকের অধ্যাপক নন্দিনীকে পাকা দেয়ালের ফাটল দিয়ে আসা আচমকা আলোর কথা বলেছিলেন স্তূপকৃত জঞ্জালের নীচে খুঁজে পাওয়া রক্তকরবীর ছোট্ট গাছটাই সেই ফাটল ভেঙে বেরিয়ে আসা আলো। শতবর্ষী তৃপ্তি মিত্র এবং শতবর্ষী বাদল সরকার এই আলোর খোঁজে জীবনভর কঠিন সুড়ঙ্গ খোদাই করে গেছেন।

ভা স্ক র ভ ট্টা চা র্য অসুন্দর মতিচুর চাচা কার চাচা? কার কোন মতি কবে চুরি করেছিল কেউ জানে না। পুরনো ট্রাম গুমটির পাশে