Search
Generic filters
Search
Generic filters
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী

চিরঞ্জয় চক্রবর্তী

চিরঞ্জয় চক্রবর্তীর জন্ম, শিক্ষাদীক্ষা কলকাতায়। পেশায় ব্যবসায়ী তিনি, নিজেকে মোমবাতিওয়ালা বলতে ভালবাসেন। লেখালিখির শুরু ১৯৭৯-এর শেষদিকে। গণিতের ছাত্র হলেও জন্মেছেন সংস্কৃত ভাষার পরিমণ্ডলে। আয়ত্ত করেছেন প্রাচীন বাংলার পুঁথিপাঠের কৃৎকৌশল। কয়েকজন অঙ্কের ছাত্র বন্ধুকে নিয়ে গাণিতিক সাহিত্যের মুখপত্র ‘ছয়’ পত্রিকার প্রকাশ শুরু করেন। জার্মান ভাষা শিখে তা নিয়ে কাজও করেছেন। তিনি ‘শিশুমেলা’ নামক পত্রিকার সহ-সম্পাদক। ইতিমধ্যে তাঁর বেশ কয়েকটি গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। গল্প-উপন্যাসের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে রামায়ণ নিয়ে চর্চা ও লেখালিখি করে চলেছেন, এ বিষয়েও তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ রয়েছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

চিরঞ্জয় চক্রবর্তীর উপন্যাস

নচিকেতা হে মানুষ বাড়ি বানায় বসবাস করার জন্য। একটা ঘর, বারান্দা, রান্নার জায়গা আর শৌচালয়। তাতেই মানুষ বাস করতে পারে। মানুষ বলতে একক মানুষ। মানুষ

Read More »

ছোটগল্প: পোস্টকার্ড

India’s First Bengali Daily Journal. অনেক ভাবনাচিন্তা করে অপা আমার ছোটবেলার ক্রেয়নের বক্সটা চাইল। তাতে বিভিন্ন রঙের ছোট ছোট টুকরো ছিল। অপাই গুছিয়ে রেখেছিল। কোনও কিছু ফেলত না, সবকিছু সুন্দর করে গুছিয়ে রাখত। অপরের সংসারে কয়েকদিনের জন্য থেকেও সব গুছিয়ে দিত। টিনের সেই ক্রেয়নের বাক্সটা অপা নিয়ে গেল। যখন বিরাটী যেত, পোস্টকার্ডে বড় বড় করে লিখত ‘বিরাটী’। ওখান থেকে টালিগঞ্জ গেলে গোটা গোটা অক্ষরে লিখত ‘টালিগঞ্জ’। বিরাটী লাল, টালিগঞ্জ সবুজ, বেহালা হলুদ বা হরিদেবপুর খয়েরি রঙে সেজে আমাদের কাছে আসত।

Read More »

অজানা বিভূতিভূষণ

নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন বলে দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা নিয়ে তাঁর নিজস্ব এক দর্শন ছিল। তাই দেখি, ডায়েরির এক জায়গায় তিনি লিখছেন, ‘দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ— Sadness ভিন্ন profundity আসে না।’ অতীত দারিদ্র্যময় জীবনের কথা মনে করে নিজে সপ্তাহে একদিন শুধু নুন আর ভাত খেতেন।

Read More »

উত্তম উত্তম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কম মহা-অভিনেতা জন্মাননি। তাঁদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজন আল পাচিনো, মার্লোন ব্র্যান্ডো, রবার্ট ডি নিরো, লরেন্স অলিভিয়ার, গ্রেগরি পেক, জিন-পল বেলমন্ডো, ব্রুস লি, ইনোকেন্তি স্মোকতুনভস্কি, জিন গ্যাবিন, মাইকেল কেইন প্রমুখ। কিন্তু কতজন মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও জনপ্রিয়তা বাড়িয়েই চলেছেন? সম্ভবত চার্লি চ্যাপলিনের পর একমাত্র উত্তম। এলিজাবেথ টেলর ‘নায়ক’ দেখে আপ্লুত হয়ে যে উত্তমের সঙ্গে ছবি করতে চেয়েছিলেন, উত্তমের অভিনয়ের এ-ও তো এক অনিবার্য স্বীকৃতি!

Read More »

সুজিত বসুর চারটি কবিতা

কেন বন্ধ ঝরোকাটি, এভাবে কেন যে বন্ধ হয়ে গেল, আমি কি পাতক/ করেছি কোনও, আমি তো শুধুই মুছি স্নেহাতুর রুক্ষ হাতে হাঁসেদের ত্বক/ ধনুকেতে কেউ বুঝি তির জোড়ে প্রার্থনায়, ব্যর্থ যেন না হয় কিছুতে লক্ষ্যভেদ/ আমিও নিশ্চিত জানি এখানেও ব্যর্থ হব, অন্ধকারে মেলে ধরি চোখ/ আবছায়া আঁধারিতে কখন যে স্বর্ণবৃত্তে বিঁধে গেছে অব্যর্থ শায়ক।

Read More »

জন্মশতবর্ষে সুকান্ত ভট্টাচার্য

সুকান্ত তাঁর সামান্য খড়কুটোর মতো জীবনকে মহার্ঘ প্রতিভার মিনারের ওপর দাঁড় করিয়েছেন। তিনি যেন প্রতিভার এক বনসাই, সাহিত্যের কত না সম্ভার নিয়ে সুকান্তর কারুবাসনা! তিনি যদি সারস্বত সাধনার একটি সুচারু তোড়া স্বল্প-পরিসর জীবনে উপহার দিয়ে যান, আমরা লক্ষ্য করব, সেখানে রয়েছে গল্প, প্রবন্ধ, নাটক, গীতিনাট্য, কাব্যনাট্য, গান, ছড়া, কবিতার বৈভব। আছে তাঁর সম্পাদিত কবিতার বই, ‘আকাল’। তিনি অনুবাদক। এমনকী উপন্যাস রচনাতেও হাত দিয়েছিলেন তিনি। চার বন্ধু মিলে বারোয়ারী। অন্য বন্ধুদের অসহযোগিতায় তা সম্পূর্ণ হতে পারেনি। আবৃত্তিকার ও অভিনেতা, নাট্য-পরিচালক রূপেও দেখেছি তাঁকে। দৈনিক ‘স্বাধীনতা’ পত্রিকার ছোটদের পাতা ‘কিশোরসভা’-র সম্পাদনাসূত্রে সাংবাদিক-ও আবার, যে সভার পঁচিশ হাজারের ওপর সভ্য ছিল।

Read More »

বাইশে শ্রাবণ

রবীন্দ্রনাথ-ও কিন্তু আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন। যে কবি চির আশাবাদী, একটা সময় প্রখর বিষণ্নতা গ্রাস করেছিল তাঁকেও। ইউনানি মতে একবার নিজের চিকিৎসা করান তিনি। তাইতেই এমন মানসিক বিপর্যয়। অবসাদ, কান্না পাওয়া, আত্মহননেচ্ছা, সাময়িকভাবে এসব পেয়ে বসেছিল তাঁকে। পুত্র রথীন্দ্রনাথকে চিঠিতে জানাচ্ছেন তিনি, ‘দিনরাত্রি মরবার কথা এবং মরবার ইচ্ছা আমাকে তাড়না করছে। মনে হচ্ছে আমার দ্বারা কিছুই হয় নি এবং হবে না। আমার জীবন যেন আগাগোড়া ব্যর্থ।’ কবির এহেন অনুভব, ভাবা যায়? এন্ড্রুজকে লেখা চিঠিতেও এর সমর্থন আছে, ‘l feel that l am on the brink of a breakdown.’

Read More »

মোহন রায়হান: এক সুহানা সফর

মোহন রায়হান জীবনযাপনেও দলছুট এক কবি, একলা চলার ব্রত ও অভীপ্সা নিয়ে তিনি পথ চলেন। সেজন্য কম প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি তাঁকে, এমনকী কারাবাস ও শারীরিক নির্যাতন, যে জন্য দীর্ঘ চিকিৎসার জন্য চেন্নাইয়ের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাঁকে। ‘কবি ছাড়া আমাদের জয় বৃথা’, আপ্তবাক্যটি মোহন রায়হান নামের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। মোহন রায়হান কবিতায় সহসা আগন্তুক নন। তাঁর আছে পরম্পরা, ঐতিহ্য, পুরনো দশকসমূহের অনুবর্তিতা আর উত্তরাধিকার। একাত্তর, তার-ও আগের বাহান্নো, বা সাতচল্লিশ পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশের কবিতায় যে রেখাপাত ঘটিয়েছে, আলো আর অন্ধকারের কলমকারিতে তার মহাগীত রচিত হয়ে আছে।

Read More »