Search
Generic filters
Search
Generic filters
দীপঙ্কর বাগচী

দীপঙ্কর বাগচী

দীপঙ্কর বাগচীর জন্ম, বেড়ে ওঠা কলকাতায়। পরিবারিক কাব্যপরম্পরা ও শিল্পসংস্কৃতি চর্চার উত্তরাধিকারী তিনি। পড়াশুনো ও গবেষণা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। অল্প কয়েক বছর অধ্যাপনা করেছেন চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তারপর সব ছেড়ে পূর্ণ সময়ের লেখক। ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর সাতটি কাব্যগ্রন্থ: ‘মেঘের আলোকে শিস’ (যৌথভাবে), ‘ষড়ঙ্গ’, ‘জাদুকর, অন্ধ ফেরিওলা’, ‘জলতরঙ্গ’, ‘অনিত্যের পদাবলী’, ‘ত্র‌্যহস্পর্শ’ (যৌথভাবে), ‘মহাকাল ও ইশারা’। তাঁর গদ্যগ্রন্থগুলি হল : ‘আধুনিকতা, সাহিত্যে পালাবদল, কল্লোল যুগ’, ‘কবির বিশ্ব’, ‘দেখা’, ‘Modernity & Social Crisis in Bengali Poetry 1920-1950’।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

দীপঙ্কর বাগচীর দুটি কবিতা

India’s First Bengali Daily Magazine. কচুরিপানার দেশে, এসে গেছি অবশেষে/ ভাঙা বাড়িটার আলো/ বলেছিলে সব ভাল/ কোন পথে তোমাকে হারাই—// আমার তো কিছু নাই, অন্ধকার বনে তাই/ একা একা ঘুরে গেছি/ সব কিছু মিছিমিছি/ বাতাসের দোলা লেগে, এসেছে সবাই// যত ভাবি এলোমেলো, কুয়াশায় কারা এল/ ঝোড়ো হাওয়া বুকে নিয়ে/ এপাড়া ওপাড়া দিয়ে/ উড়ে যায় টিন ছাদ, দ্যাখো সাঁই সাঁই

Read More »

পবিত্র সরকারের বিশেষ রচনা

বাংলাদেশের প্রগতিশীল মানুষদের রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে একটু বেশি দুর্বলতা আছে। রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে যত কিছু, তাঁদের কাছেও তত কিছু তো বটেই, কিন্তু তারও চেয়ে অনেকটা বেশি। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেনাপতি। বাহান্নর ভাষা-আন্দোলনের সময় থেকে, আয়ুব শাহি ফরমানে রেডিয়োতে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষেধ আর রবীন্দ্র-শতবার্ষিকীর ওপর ফতোয়া জারি থেকে রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের এক মহাশক্তিধর যোদ্ধা, তাঁর সম্বন্ধে এঁরা তাই এত স্পর্শকাতর।

Read More »

মীরাতুন নাহারের প্রবন্ধ

হিন্দু-সাম্প্রদায়িকতা এবং মুসলমান-সাম্প্রদায়িকতা উভয়কেই তিনি যুক্তি ও তথ্যদ্বারা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধ্বংসাত্মক বলে বোঝাতে চেয়েছেন দেশবাসীকে। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের দ্বারা অনুপ্রাণিত দেশবাসীকে তিনি হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িকতার বিপদ সম্পর্কে অধিকতর সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যদিও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ‘সাম্প্রদায়িকতার বিষ’ দেশবাসীর মন থেকে নিষ্কাশন করে দেশকে বিপন্মুক্ত করা।

Read More »

গৌতম ঘোষের প্রবন্ধ

চলচ্চিত্রের ধর্ম হল সময়কে ধরে রাখা, সময়ের স্মৃতিমালাকে ধরে রাখা। সেই পদ্ধতি, সেই প্রক্রিয়া কিন্তু চলতেই থাকবে। এখন আমাদের আরও মানবিক হতে হবে। চলচ্চিত্র যারা তৈরি করবেন তারা শুধুমাত্র সস্তার বিনোদন সরিয়ে রেখে একটু মানবিক ছবি করবেন। যেখানে প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক, মানুষ ও সমাজের সম্পর্ক, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক থাকবে। যা আমরা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক সব সিনেমায় দেখেছি, সেই ভাবনায় ভাবতে হবে।

Read More »

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের বিশেষ নিবন্ধ

বস্তুত সুকান্ত কবিতার চাইতে বড়। তিনি এক প্রতীকচিহ্ন। সারা ভারতে যখন কবিকে ভাবা হয়েছে জনতার একজন প্রতিনিধি হিসেবে, তখন সুকান্তকেই ভাবা হয়েছে। তামিল বা হিন্দি সিনেমাতেও হয়েছে। যেমন রাজেশ খান্নার ‘অনুরোধ’ নামের ছবিটিতে যে কবিটি রাজেশের বন্ধু ছিলেন তার নাম সুকান্ত। অথবা অতদূরে কেন যাই, বাংলায় উত্তম-তনুজার ‘দেনা পাওনা’ ছবিতে উত্তম যে বন্ধুর চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসেন, তার নামও তো সুকান্ত। তিনিও তো ফুসফুসের রোগী।

Read More »

কালীকৃষ্ণ গুহর কবিতা

একটি রাত্রি কা লী কৃ ষ্ণ  গু হ প্রতিটি রাত্রিকেই নতুন মনে হয়— অচেনা লাগে। আজকের রাত্রিটা যেন চির-অচেনা যেন কিছু ঘটার ছিল যা ঘটেনি

Read More »

অভিজিৎ সিরাজের ছোটগল্প

ফরেস্ট বাংলো অ ভি জি ৎ  সি রা জ শঙ্কর দত্তকে আমি শেষ দেখি আনন্দপুরে মাদুরদহের একটা স্কুল বাড়িতে। অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল সেদিন। বাড়ির

Read More »