Search
Generic filters
Search
Generic filters
অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য

অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য

ড. অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য বিশিষ্ট রবীন্দ্র ও বঙ্কিম-বিশেষজ্ঞ, বিশ্বভারতী পত্রিকার সম্পাদক। লিখেছেন এবং সম্পাদনা করেছেন অন্তত শ’খানেক বই। তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য: ‘উনবিংশ শতকে বাংলা সাহিত্যেতিহাস চর্চা’, ‘দ্বাদশ প্রবন্ধ’, ‘বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন সমগ্র’, ‘পরামৃত শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত’, ‘কৃষ্টি এবং সৃষ্টি’, ‘সাহিত্যে সাত স্মরণীয়’, ‘হালেদের বাংলা ব্যাকরণ’, ‘প্রবন্ধ পঞ্চাশৎ সংস্কৃতি ও সাহিত্য’, ‘বিদ্যার ঈশ্বর বিদ্যাসাগর’, ‘এক দুর্লভ মানিক, অগ্রন্থিত পত্রাবলীর চলচ্চিত্রে অজানা সত্যজিৎ’ প্রভৃতি। তাঁর রবীন্দ্র-বিষয়ক পুস্তকের সংখ্যাও অনেক। যেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য: ‘রবীন্দ্রনাথ : সাধনা ও সাহিত্য’, ‘প্রবন্ধ পঞ্চাশৎ : প্রসঙ্গ রবীন্দ্রনাথ’, ‘স্বপ্ন সত্য রবীন্দ্রনাথ’, ‘নানা রবীন্দ্রনাথ’, ‘রবি ঠাকুরের কুঠার’, ‘রবীন্দ্রনাথ কবিতার সাজঘরে’, ‘রবীন্দ্রনাথ দেশ ও সাগরময়’, ‘রবীন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথই’, ‘কবির কান্না’, ‘অন্যোন্যদর্শন বঙ্কিমচন্দ্র রবীন্দ্রনাথ’, ‘রেলভ্রমণে রবীন্দ্রনাথ’, ‘বিষয় রবীন্দ্রনাথ মতামত নিজস্ব’, ‘সম্পর্ক কবি ও কবিপত্নী’ প্রভৃতি। বঙ্কিম-বিষয়ক গ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য: ‘বঙ্কিমচন্দ্রজীবনী’, ‘বঙ্কিমচন্দ্র ও বঙ্গদর্শন’, ‘বঙ্কিমসাহিত্য’, ‘রঙ্গমঞ্চে বঙ্কিম’, বঙ্কিমবিদ্যা’, ‘প্রবন্ধ পঞ্চাশৎ বিষয় বঙ্কিমচন্দ্র’ প্রভৃতি। সম্পাদিত বইগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য: ‘রবীন্দ্রনাথের মালতীপুঁথি’, ‘নিজের কথা’ (লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। নির্মলকুমারী মহলানবিশকে লেখা পাঁচ শতাধিক পত্রসংগ্রহ), ‘রবীন্দ্রনাথ সত্যজিৎ সাহিত্য থেকে চলচ্চিত্র’, ‘শেষের কবিতার পাণ্ডুলিপি’, ‘সাধনা মাসিক পত্রিকা সমগ্র’, ‘বঙ্গীয় তৎসম শব্দকোষ’, ‘বিশ্বভারতী পত্রিকা নির্বাচিত প্রবন্ধ সংগ্রহ প্রসঙ্গ রবীন্দ্রনাথ’, ‘বিশ্বভারতী পত্রিকা নির্বাচিত প্রবন্ধ সংগ্রহ প্রসঙ্গ শিল্প ও সংগীত’, ‘মালাধর বসু : শ্রীকৃষ্ণবিজয়’, ‘বিংশ শতাব্দীর নারী ঔপন্যাসিক’ ইত্যাদি।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

প্রবন্ধ: অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য

গ্রন্থরাগ শুধু গ্রন্থরাগ না বলে গ্রন্থের অঙ্গরাগও বলা যেতে পারে। লেখক বই লেখেন– সেটাও বোধহয় ঠিক বলা হল না। লেখক তাঁর কাব্য কবিতা নাটক নভেল

Read More »

প্রবন্ধ: পিতা মাতা ও তাঁদের প্রথম সন্তান

India’s First Bengali Daily Magazine. বিধবাদের দুঃখ, সমাজে বহুবিবাহের ফলে মেয়েদের যে অসহ্য দুর্দশা— সে তো বিদ্যাসাগর তাঁর মায়ের চোখ দিয়েই দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন। শাস্ত্র ঘেঁটে বিধবাবিবাহের সমর্থন খুঁজেছিলেন। দেশ জুড়ে বিদ্যাসাগরের এই কাজে তখন কী নিষ্ঠুর বিরোধিতা! কিন্তু যেখানে মায়ের সমর্থন আছে, পিতারও সমর্থন আছে, সেখানে বিদ্যাসাগর অকুতোভয়। পরে বুঝলেও, বঙ্কিমচন্দ্রও একসময় বিদ্যাসাগর-বিরোধিতায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংগ্রামে বিদ্যাসাগরই বিজয়ী হয়েছিলেন।

Read More »

মহাজনী সভ্যতা

অর্থের লোভ আজ মানবিক অনুভূতিগুলোকে সম্পূর্ণ গিলে ফেলেছে। আজ আভিজাত্য, ভদ্রতা আর গুণের একমাত্র মাপকাঠি হল টাকা। যার কাছে টাকা আছে, তার চরিত্র যত কালোই হোক, সে-ই দেবতা। সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প— সবই আজ টাকার পায়ে মাথা ঠুকছে। এই বিষাক্ত বাতাসে বেঁচে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ ডাক্তাররা মোটা ফিজ ছাড়া কথা বলেন না, আইনজীবীরা মিনিটের হিসাব করেন মোহর দিয়ে। গুণ ও যোগ্যতার বিচার হয় তার বাজারমূল্য দিয়ে। মৌলভি-পণ্ডিতরাও আজ ধনীদের কেনা গোলাম, আর সংবাদপত্রগুলো কেবল তাদেরই গুণগান গায়।

Read More »

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ইসলাম

হিন্দুকে মুসলমানদের আপন বলে মনে করতে হবে, একথা তিনি ‌বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। ‘যদি ভাবি, মুসলমানদের অস্বীকার করে একপাশে সরিয়ে দিলেই দেশের‌ সকল মঙ্গলপ্রচেষ্টা সফল হবে, তাহলে বড়‌ই ভুল করব’— বলেছেন তিনি। বাউলদের সাধনার মধ্যে তিনি হিন্দু-মুসলমানের সম্মিলন আবিষ্কার করেন, অনুবাদ করেন মারাঠি সন্ত কবি তুকারামের ‘অভঙ্গ’ যেমন, ঠিক তেমনই কবীরের দোহা। মধ্যযুগের মরমী সুফি কবি কবীর, জোলা, রজব, দাদু প্রমুখের জীবনবৃত্তান্ত উৎসাহের সঙ্গে জেনে নেন ক্ষিতিমোহন সেনের কাছ থেকে, আর সত্তরোর্ধ্ব কবি পারস্যে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসেন কবি হাফেজকে।

Read More »

বুদ্ধ: অন্ধকারে আলোর দিশারী

তিনি বলেন গেছেন, হিংসা দিয়ে হিংসাকে জয় করা যায় না, তাকে জয় করতে প্রেম ও ভালবাসা দিয়ে। মৈত্রী ও করুণা— এই দুটি ছিল তাঁর আয়ুধ, মানুষের প্রতি ভালবাসার, সহযোগিতার, বিশ্বপ্রেমের। তাই তো তাঁর অহিংসার আহ্বান ছড়িয়ে পড়েছিল দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে,— চীন, জাপান, মায়ানমার, তিব্বত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটানে। এই বাংলায় যে পালযুগ, তা চিহ্নিত হয়ে আছে বৌদ্ধযুগ-রূপে। সুদীর্ঘ পাঁচ শতাব্দী ধরে সমগ্র বাংলা বুদ্ধ-অনুশাসিত ছিল। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ বৌদ্ধ কবিদের দ্বারাই রচিত হয়েছে।

Read More »

স্যার রোনাল্ড রস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য

রোনাল্ড রসকে তাঁর গবেষণার সহায়তাকারী এক বিস্মৃত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭-১৯২৯)। তাঁর অবদান কিন্তু খুব কম নয়। তিনি ছিলেন রস-এর অধীনে সহ-গবেষক। রস নোবেল পেলে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীর নেতৃত্বে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, শিবনাথ শাস্ত্রী, আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল, রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ কিশোরীনাথের ভূমিকার বিষয়টি বড়লাট লর্ড কার্জনকে জানান। কার্জন এ-বিষয়টি ব্রিটিশ সরকারের গোচরে আনেন। এর ফলে ১৯০৩ সালে যখন দিল্লিতে দরবার বসে, তখন ডিউক অফ কনট-এর মাধ্যমে কিশোরীনাথকে ব্রিটিশরাজ সপ্তম এড‌ওয়ার্ড-এর তরফ থেকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। পরে কলকাতা
র সেনেট হলে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। সভাপতি ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ।

Read More »

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান ট্রাডিশন: হোয়েন আইনস্টাইন মেট টেগোর” গ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের বিবরণ পাওয়া যায়। এই বইতে বিশ শতকের শুরুতে ভারতের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণ এবং ভারতীয় ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।

Read More »

শতবর্ষী বাঙালি

বাঙালিদের মধ্যেও শতায়ু লোক নেহাত কম নেই। একটা কথা মনে রাখা জরুরি, বিখ্যাত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের আয়ু নিয়ে বিশেষ কোনও গবেষণা থাকে না। আবার একটু বেশি বয়স্ক মানুষকে শতায়ু বলে চালিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ-ও রয়েছে। তবে শতবর্ষের আয়ুলাভ যে মানুষের কাঙ্ক্ষিত, তা উপনিষদের‌ একটি বাক্যে সুন্দরভাবে ধরা পড়েছে— ‘জীবেম শরদঃ শতম্’, অর্থাৎ শতবর্ষ বাঁচতে ইচ্ছে করবে। কেবল অলস জীবন নিয়ে বাঁচবার ইচ্ছে করলেই হবে না, কর্ম করে বাঁচার কথাও বলা হয়েছে সেখানে— ‘কুর্বেন্নেবেহ কর্মাণি জিজীবিষেচ্ছতম্ সমাঃ’।

Read More »