Search
Generic filters
Search
Generic filters
অভিজিৎ সেন

অভিজিৎ সেন

অভিজিৎ সেনের জন্ম অবিভক্ত বাংলার বরিশাল জেলার কেওড়া গ্রামে। পাঁচের দশকের গোড়ায় চলে আসেন কলকাতায়। কলকাতা থেকে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া হয়ে পুনরায় কলকাতা, এইভাবে ঘুরে ঘুরে স্কুল-কলেজের শিক্ষা শেষ করেন। উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে চাকরিও করতেন কলকাতায়। ইতিহাসে স্নাতকোত্তর। সেই সময়কার নকশালপন্থী আন্দোলনে জড়িয়ে চাকরি, গৃহ ও কলকাতা ত্যাগ করেন। থাকতেন প্রথমে বালুরঘাটে, পরে মালদায়। বর্তমানে কলকাতার বাসিন্দা। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থগুলি হল: ‘রহু চণ্ডালের হাড়’, ‘অন্ধকারের নদী’, ‘ছায়ার পাখি’, ‘আঁধার মহিষ’, ‘ঝড়’, ‘বিদ্যাধরী ও বিবাগী লখিন্দর’, ‘হলুদ রঙের সূর্য’, ‘রাজপাট ধর্মপাট’, ‘এই সাতখানি উপন্যাস এবং দেবাংশী’, ‘ব্রাহ্মণ ও অন্যান্য গল্প’ ইত্যাদি। নিউ ইয়র্কের Facet Books International এবং দিল্লির Abhinav Publications যৌথভাবে তাঁর বঙ্কিমচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘রহু চণ্ডালের হাড়’ উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ ‘Magic Bones’ প্রকাশ করেছে।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

অভিজিৎ সেনের ছোটগল্প: অন্ধকার

India’s First Bengali Daily Magazine. কেতকী কিন্তু তার দুধের কলসি মাথায় নিয়ে নিপুণ ভারসাম্য রক্ষাকারী রাজস্থানী নর্তকীদের মত অনায়াসে রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসত। অনিমেষ সাড়ে ন’টার সময় যখন শহরের দিক থেকে ব্রিজের ওপরে উঠত, নির্ভুলভাবে দেখতে পেত রাজস্থানী দেয়ালচিত্রের মত ভঙ্গিমা, ঘোমটা এবং ভারসাম্য রাখার আয়াসে সামান্য আন্দোলিত হাত দুখানা নিয়ে কেতকী ওপারের রাস্তা ছেড়ে ব্রিজে উঠল। সে যাবে থানার কোয়ার্টারে, হাসপাতালের তরুণ ডাক্তারবাবুর ঘরে, আরও কার কার ঘরে সে সব খোঁজ যারা রাখে, তারা তাদের তালিকায় ব্যাঙ্ক ম্যানেজার অনিমেষকেও রাখে।

Read More »

পবিত্র সরকারের বিশেষ রচনা

বাংলাদেশের প্রগতিশীল মানুষদের রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে একটু বেশি দুর্বলতা আছে। রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে যত কিছু, তাঁদের কাছেও তত কিছু তো বটেই, কিন্তু তারও চেয়ে অনেকটা বেশি। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেনাপতি। বাহান্নর ভাষা-আন্দোলনের সময় থেকে, আয়ুব শাহি ফরমানে রেডিয়োতে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষেধ আর রবীন্দ্র-শতবার্ষিকীর ওপর ফতোয়া জারি থেকে রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের এক মহাশক্তিধর যোদ্ধা, তাঁর সম্বন্ধে এঁরা তাই এত স্পর্শকাতর।

Read More »

মীরাতুন নাহারের প্রবন্ধ

হিন্দু-সাম্প্রদায়িকতা এবং মুসলমান-সাম্প্রদায়িকতা উভয়কেই তিনি যুক্তি ও তথ্যদ্বারা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধ্বংসাত্মক বলে বোঝাতে চেয়েছেন দেশবাসীকে। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের দ্বারা অনুপ্রাণিত দেশবাসীকে তিনি হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িকতার বিপদ সম্পর্কে অধিকতর সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যদিও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ‘সাম্প্রদায়িকতার বিষ’ দেশবাসীর মন থেকে নিষ্কাশন করে দেশকে বিপন্মুক্ত করা।

Read More »

গৌতম ঘোষের প্রবন্ধ

চলচ্চিত্রের ধর্ম হল সময়কে ধরে রাখা, সময়ের স্মৃতিমালাকে ধরে রাখা। সেই পদ্ধতি, সেই প্রক্রিয়া কিন্তু চলতেই থাকবে। এখন আমাদের আরও মানবিক হতে হবে। চলচ্চিত্র যারা তৈরি করবেন তারা শুধুমাত্র সস্তার বিনোদন সরিয়ে রেখে একটু মানবিক ছবি করবেন। যেখানে প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক, মানুষ ও সমাজের সম্পর্ক, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক থাকবে। যা আমরা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ক্লাসিক সব সিনেমায় দেখেছি, সেই ভাবনায় ভাবতে হবে।

Read More »

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের বিশেষ নিবন্ধ

বস্তুত সুকান্ত কবিতার চাইতে বড়। তিনি এক প্রতীকচিহ্ন। সারা ভারতে যখন কবিকে ভাবা হয়েছে জনতার একজন প্রতিনিধি হিসেবে, তখন সুকান্তকেই ভাবা হয়েছে। তামিল বা হিন্দি সিনেমাতেও হয়েছে। যেমন রাজেশ খান্নার ‘অনুরোধ’ নামের ছবিটিতে যে কবিটি রাজেশের বন্ধু ছিলেন তার নাম সুকান্ত। অথবা অতদূরে কেন যাই, বাংলায় উত্তম-তনুজার ‘দেনা পাওনা’ ছবিতে উত্তম যে বন্ধুর চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসেন, তার নামও তো সুকান্ত। তিনিও তো ফুসফুসের রোগী।

Read More »

কালীকৃষ্ণ গুহর কবিতা

একটি রাত্রি কা লী কৃ ষ্ণ  গু হ প্রতিটি রাত্রিকেই নতুন মনে হয়— অচেনা লাগে। আজকের রাত্রিটা যেন চির-অচেনা যেন কিছু ঘটার ছিল যা ঘটেনি

Read More »

অভিজিৎ সিরাজের ছোটগল্প

ফরেস্ট বাংলো অ ভি জি ৎ  সি রা জ শঙ্কর দত্তকে আমি শেষ দেখি আনন্দপুরে মাদুরদহের একটা স্কুল বাড়িতে। অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল সেদিন। বাড়ির

Read More »