Search
Generic filters
Search
Generic filters
সুব্রত ঘোষ

সুব্রত ঘোষ

সুব্রত ঘোষ ভূপালের বরকতুল্লাহ ইউনিভার্সিটি থেকে অ্যাপ্লাইড অ্যাকুয়াকালচারে এম.এসসি সম্পন্ন করেন এবং প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তিনি ফিশারি প্যাথলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে জুনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন, ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অব অ্যানিমেল অ্যান্ড ফিশারি সায়েন্সেস-এ। আইসিএআর-সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব ফ্রেশওয়াটার অ্যাকুয়াকালচার, ভুবনেশ্বর এবং আইসিএআর-সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট, বারাকপুরে সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসাবে কাজ করেছেন। ভুবনেশ্বরের উৎকল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে এমএসসি ফিশারি অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার কোর্সের অংশকালীন প্রভাষক ছিলেন। ভারতে ৬টি রাজ্য-স্তরের, ১৬টি জাতীয় এবং ৩টি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন এবং সবক’টিতেই স্বাদু জলের জলজ চাষের ওপর বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেছেন। তাঁর ১১টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক জার্নালে। তিনি ২০১৩-র জানুয়ারিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য ক্ষেত্র সহকারী হিসাবে মৎস্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন এবং WBPSC পরীক্ষায় মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। ২০১৭-র জুন থেকে এই অধিদপ্তরের অধীনে মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিক হিসাবে কর্মরত।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষার্থে পরিবেশের সুস্থিতকরণে আমাদের ভূমিকা

India’s First Bengali Story Portal. ২০২০ সালটি ছিল রাষ্ট্রসংঘ UNESCO ঘোষিত জীববৈচিত্র্য দশকের সর্বশেষ বছর৷ আগামী ২০২১-২০৩০ দশকটির নামকরণ হয়েছে Decade for ecosystem restoration and reformation অর্থাৎ বাস্তুতন্ত্রের পুনর্নির্মাণ তথা জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস হওয়াকে আটকানো ও জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা করা৷ এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আবেদন হল Change in land and sea use৷ জীবনের সেই পাঁচটি উপাদান যথা খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানকে সুরক্ষিত করতে অসংখ্য বন্যপ্রাণের ওপর আমরা হস্তক্ষেপ করেছি, নির্বিচারে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়েছে৷ আরও ধ্বংস হয়েছে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল৷ শুধুমাত্র সুন্দরবন অঞ্চলে নয়, ম্যানগ্রোভ সকল মানুষকে বাঁচিয়ে রেখেছে এমনকি যারা শহর, শহরতলি ও নগরে বাস করেন৷

Read More »

চাষপদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছের স্বাদ ও চিটেগুড়

বাণিজ্যিক-কারণে মাছচাষের পুকুরে মেজর কার্প উৎপাদন করতে মুরগি ও ছাগলের নাড়িভুঁড়ি, মৃত পশুর দেহ-চামড়ার অংশ মাছকে খাইয়ে এবং অতিরিক্ত পরিমাণ অজৈব রাসায়নিক সার ও মুরগির কাঁচা বিষ্ঠা পুকুরে প্রয়োগ করে চটজলদি অল্প সময়ে মাছকে বাড়িয়ে বাজারজাত করে যদি লাভবান হতে চান এ রাজ্যের কোনও মৎস্যচাষি, তাহলে অনুচিত হবে। উৎপাদিত মাছের স্বাদ ও গন্ধ ভাল তো হয়ই না, মৃত মাছ বাজারে বিক্রি না হলে তাড়াতাড়ি পচে যেতে থাকে।

Read More »

বিজ্ঞানের হাত ধরে আধুনিক হোক মাছচাষ

বিজ্ঞানসম্মত মাছচাষকে সাধারণ মাছচাষির কাছে প্রসারিত করতে প্রয়োজন নিবিড় প্রশিক্ষণ এবং যথাযথ সহায়ক তথ্যপঞ্জি৷ এই লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মৎস্য দপ্তরের বিভিন্ন জেলা মৎস্য বিভাগ থেকে বাংলা ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে সহায়তা পুস্তিকা, যা মৎস্যচাষি ভাইদের প্রযুক্তিগত জ্ঞানের চাহিদা যথাযথভাবে পূরণ করতে সমর্থ হবে।

Read More »

নরেশচন্দ্র দত্ত: যাঁর সম্মানে এক মাছের নাম রাখা হয় Hara nareshi

অধ্যাপক ডি এন গাঙ্গুলির সঙ্গে বিহারের সুবর্ণরেখা ও তার শাখানদীতে বিদ্যমান মৎস্যবৈচিত্র্যের ওপর প্রগাঢ়ভাবে সমীক্ষা করে মুখে শুঁড়বিশিষ্ট Glyptothorax গণ-এর দুটি নতুন প্রজাতির মাছের সন্ধান পান অধ্যাপক নরেশচন্দ্র দত্ত এবং সেগুলির বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যগত বিবরণী তিনি পেশ করেন, যা ছিল ভারতে প্রথম। ২০১৫ সালে এক সমীক্ষার সময় মৎস্যবিজ্ঞানীরা আসাম রাজ্যের বরাক ও কাটাখাল নদীতে একটি নতুন শুঁড়বিশিষ্ট মাছের সন্ধান পান। অধ্যাপক দত্তকে সম্মান জানিয়ে এই মাছটির নামকরণ করা হয় Hara nareshi।

Read More »

মহাজনী সভ্যতা

অর্থের লোভ আজ মানবিক অনুভূতিগুলোকে সম্পূর্ণ গিলে ফেলেছে। আজ আভিজাত্য, ভদ্রতা আর গুণের একমাত্র মাপকাঠি হল টাকা। যার কাছে টাকা আছে, তার চরিত্র যত কালোই হোক, সে-ই দেবতা। সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প— সবই আজ টাকার পায়ে মাথা ঠুকছে। এই বিষাক্ত বাতাসে বেঁচে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ ডাক্তাররা মোটা ফিজ ছাড়া কথা বলেন না, আইনজীবীরা মিনিটের হিসাব করেন মোহর দিয়ে। গুণ ও যোগ্যতার বিচার হয় তার বাজারমূল্য দিয়ে। মৌলভি-পণ্ডিতরাও আজ ধনীদের কেনা গোলাম, আর সংবাদপত্রগুলো কেবল তাদেরই গুণগান গায়।

Read More »

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ইসলাম

হিন্দুকে মুসলমানদের আপন বলে মনে করতে হবে, একথা তিনি ‌বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। ‘যদি ভাবি, মুসলমানদের অস্বীকার করে একপাশে সরিয়ে দিলেই দেশের‌ সকল মঙ্গলপ্রচেষ্টা সফল হবে, তাহলে বড়‌ই ভুল করব’— বলেছেন তিনি। বাউলদের সাধনার মধ্যে তিনি হিন্দু-মুসলমানের সম্মিলন আবিষ্কার করেন, অনুবাদ করেন মারাঠি সন্ত কবি তুকারামের ‘অভঙ্গ’ যেমন, ঠিক তেমনই কবীরের দোহা। মধ্যযুগের মরমী সুফি কবি কবীর, জোলা, রজব, দাদু প্রমুখের জীবনবৃত্তান্ত উৎসাহের সঙ্গে জেনে নেন ক্ষিতিমোহন সেনের কাছ থেকে, আর সত্তরোর্ধ্ব কবি পারস্যে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসেন কবি হাফেজকে।

Read More »

বুদ্ধ: অন্ধকারে আলোর দিশারী

তিনি বলেন গেছেন, হিংসা দিয়ে হিংসাকে জয় করা যায় না, তাকে জয় করতে প্রেম ও ভালবাসা দিয়ে। মৈত্রী ও করুণা— এই দুটি ছিল তাঁর আয়ুধ, মানুষের প্রতি ভালবাসার, সহযোগিতার, বিশ্বপ্রেমের। তাই তো তাঁর অহিংসার আহ্বান ছড়িয়ে পড়েছিল দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে,— চীন, জাপান, মায়ানমার, তিব্বত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটানে। এই বাংলায় যে পালযুগ, তা চিহ্নিত হয়ে আছে বৌদ্ধযুগ-রূপে। সুদীর্ঘ পাঁচ শতাব্দী ধরে সমগ্র বাংলা বুদ্ধ-অনুশাসিত ছিল। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ বৌদ্ধ কবিদের দ্বারাই রচিত হয়েছে।

Read More »

স্যার রোনাল্ড রস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য

রোনাল্ড রসকে তাঁর গবেষণার সহায়তাকারী এক বিস্মৃত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭-১৯২৯)। তাঁর অবদান কিন্তু খুব কম নয়। তিনি ছিলেন রস-এর অধীনে সহ-গবেষক। রস নোবেল পেলে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীর নেতৃত্বে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, শিবনাথ শাস্ত্রী, আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল, রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ কিশোরীনাথের ভূমিকার বিষয়টি বড়লাট লর্ড কার্জনকে জানান। কার্জন এ-বিষয়টি ব্রিটিশ সরকারের গোচরে আনেন। এর ফলে ১৯০৩ সালে যখন দিল্লিতে দরবার বসে, তখন ডিউক অফ কনট-এর মাধ্যমে কিশোরীনাথকে ব্রিটিশরাজ সপ্তম এড‌ওয়ার্ড-এর তরফ থেকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। পরে কলকাতা
র সেনেট হলে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। সভাপতি ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ।

Read More »

দুই হুজুরের গপ্পো

১৯৩০ সালের ১৪ জুলাই, আলবার্ট আইনস্টাইন বার্লিনের উপকণ্ঠে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানান ভারতীয় কবি, দার্শনিক ও সঙ্গীতজ্ঞ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। তিনি ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল বিজয়ী। তাঁদের এই সাক্ষাৎকারটি ইতিহাসের অন্যতম বুদ্ধিদীপ্ত ও মননশীল আলাপচারিতায় পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা বিজ্ঞান ও ধর্মের চিরন্তন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করেন। “সায়েন্স অ্যান্ড দ্য ইন্ডিয়ান ট্রাডিশন: হোয়েন আইনস্টাইন মেট টেগোর” গ্রন্থে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাতের বিবরণ পাওয়া যায়। এই বইতে বিশ শতকের শুরুতে ভারতের বৌদ্ধিক পুনর্জাগরণ এবং ভারতীয় ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।

Read More »

শতবর্ষী বাঙালি

বাঙালিদের মধ্যেও শতায়ু লোক নেহাত কম নেই। একটা কথা মনে রাখা জরুরি, বিখ্যাত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের আয়ু নিয়ে বিশেষ কোনও গবেষণা থাকে না। আবার একটু বেশি বয়স্ক মানুষকে শতায়ু বলে চালিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ-ও রয়েছে। তবে শতবর্ষের আয়ুলাভ যে মানুষের কাঙ্ক্ষিত, তা উপনিষদের‌ একটি বাক্যে সুন্দরভাবে ধরা পড়েছে— ‘জীবেম শরদঃ শতম্’, অর্থাৎ শতবর্ষ বাঁচতে ইচ্ছে করবে। কেবল অলস জীবন নিয়ে বাঁচবার ইচ্ছে করলেই হবে না, কর্ম করে বাঁচার কথাও বলা হয়েছে সেখানে— ‘কুর্বেন্নেবেহ কর্মাণি জিজীবিষেচ্ছতম্ সমাঃ’।

Read More »