Search
Generic filters
Search
Generic filters
অরুণ কর

অরুণ কর

অরুণ কর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আধিকারিক পদে কর্মরত। লেখালিখির চর্চা ছাত্রাবস্থা থেকে। ‘দেশ’, ‘আনন্দবাজার রবিবাসরীয়’, ‘আনন্দমেলা’, ‘উনিশ কুড়ি’, ‘শারদীয় আনন্দবাজার’, ‘আজকাল রবিবাসর’, ‘কারিগর’, ‘কালি ও কলম’ (বাংলাদেশ), ‘নক্ষত্র’ (বাংলাদেশ), ‘অন্তরীপ’ সহ ছোটবড় নানা পত্রিকায় তাঁর বহু গল্প প্রকাশিত হয়েছে। ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’, ‘ধনধান্যে যোজনা’, ‘পঞ্চায়েতী রাজ’ ও অন্যান্য পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ লেখেন। প্রকাশিত উপন্যাস ‘আধেক স্বপন আধেক দুয়ার’।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ছোটগল্প: ভালবাসার সমুদ্র

ভালভাষা উৎসব সংখ্যা ২০২৩। তূর্য কিছুক্ষণ কী যেন ভাবল। তারপর বলল, আমি নিজেকে চিনি অনীশ। তৃষাকেও চিনি, তবে সেটা আমার মতো করে। কিন্তু কী করে তোদের বোঝাই, ভালবাসা বলতে তোরা যেটা মিন করিস, সেটা আমার কল্পনার সঙ্গে মেলে না। লিখেছেন অরুণ কর।

Read More »

ছোটগল্প: অথ রুরুকথা

India’s First Bengali Daily Magazine. জাতীয় পতাকায় মোড়া কফিনের ওপর অনেকগুলো বৃত্তাকার মালা। রাশি রাশি ঝুরো ফুল স্তূপাকার হয়ে বুকের ওপর চেপে বসেছে। পুলক বেঁচে থাকলে নিশ্চয় বিরক্ত হত। ও বরাবর বলত, ফুলের মধ্যে বকফুল আর কুমড়ো ফুল ওর সবচেয়ে প্রিয়। খুব ভাল বড়া ভেজে খাওয়া যায়! বাকি ফুল কোনও কম্মে লাগে না!

Read More »

পরশপাথর

ব্যোমকেশবাবু নিজের পকেটে ওই অচল নোটখানা আবিষ্কার করে খুব মুষড়ে পড়লেন। একখানা পুরনো পাঁচ টাকার নোট, সেটির নম্বরের শেষ সংখ্যা সহ ছেঁড়া কোণটাতে সাদা কাগজের তাপ্পি মেরে অদক্ষ হাতে একটা কাল্পনিক সংখ্যা বসানো, সাদা জলছবির জায়গাটায় আফ্রিকার মানচিত্রের আদলে বড়সড় গর্ত, মাঝখান বরাবর দুভাগ হয়ে যাওয়া অংশ দুটো সেলোটেপ দিয়ে জোড়া। ডানদিক-ঘেঁষা সিকিয়োরিটি থ্রেডখানা কেউ যত্ন করে তুলে নেওয়ার ফলে সেখানে আড়াআড়ি ক্ষত।

Read More »

চিরজীবী বিদ্যাসাগর

বিদ্যাসাগর ‘বর্ণপরিচয়’ লেখার মাধ্যমে শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৮৫৫-র ১৪-ই এপ্রিল, অর্থাৎ ১২৬২-র পয়লা বৈশাখ এর প্রথম খণ্ড, ও সে বছরের-ই পয়লা আষাঢ় বইটির দ্বিতীয় খণ্ড বেরোয়। এর আগেও শিশুদের অক্ষর পরিচয় ও বাক্যগঠনের বেশ কিছু বই থাকলেও বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ উপযোগিতার দিক দিয়ে সেগুলিকে, ও পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের ‘সহজপাঠ’-কে বহুগুণে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তাঁর জীবিতকালেই বইটির ১৫০-এর ওপর সংস্করণ হয়, আর ছাপা হয়েছিল তিরিশ লাখের-ও বেশি। এখন-ও ও বইটির উপযোগিতা শেষ হয়ে যায়নি।

Read More »

অজানা বিভূতিভূষণ

নিতান্ত দারিদ্র্যের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন বলে দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতা নিয়ে তাঁর নিজস্ব এক দর্শন ছিল। তাই দেখি, ডায়েরির এক জায়গায় তিনি লিখছেন, ‘দুঃখ জীবনের বড় সম্পদ, দারিদ্র্য, ব্যর্থতা বড় সম্পদ— Sadness ভিন্ন profundity আসে না।’ অতীত দারিদ্র্যময় জীবনের কথা মনে করে নিজে সপ্তাহে একদিন শুধু নুন আর ভাত খেতেন।

Read More »

উত্তম উত্তম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কম মহা-অভিনেতা জন্মাননি। তাঁদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজন আল পাচিনো, মার্লোন ব্র্যান্ডো, রবার্ট ডি নিরো, লরেন্স অলিভিয়ার, গ্রেগরি পেক, জিন-পল বেলমন্ডো, ব্রুস লি, ইনোকেন্তি স্মোকতুনভস্কি, জিন গ্যাবিন, মাইকেল কেইন প্রমুখ। কিন্তু কতজন মৃত্যুর প্রায় পঞ্চাশ বছর পরেও জনপ্রিয়তা বাড়িয়েই চলেছেন? সম্ভবত চার্লি চ্যাপলিনের পর একমাত্র উত্তম। এলিজাবেথ টেলর ‘নায়ক’ দেখে আপ্লুত হয়ে যে উত্তমের সঙ্গে ছবি করতে চেয়েছিলেন, উত্তমের অভিনয়ের এ-ও তো এক অনিবার্য স্বীকৃতি!

Read More »

সুজিত বসুর চারটি কবিতা

কেন বন্ধ ঝরোকাটি, এভাবে কেন যে বন্ধ হয়ে গেল, আমি কি পাতক/ করেছি কোনও, আমি তো শুধুই মুছি স্নেহাতুর রুক্ষ হাতে হাঁসেদের ত্বক/ ধনুকেতে কেউ বুঝি তির জোড়ে প্রার্থনায়, ব্যর্থ যেন না হয় কিছুতে লক্ষ্যভেদ/ আমিও নিশ্চিত জানি এখানেও ব্যর্থ হব, অন্ধকারে মেলে ধরি চোখ/ আবছায়া আঁধারিতে কখন যে স্বর্ণবৃত্তে বিঁধে গেছে অব্যর্থ শায়ক।

Read More »

জন্মশতবর্ষে সুকান্ত ভট্টাচার্য

সুকান্ত তাঁর সামান্য খড়কুটোর মতো জীবনকে মহার্ঘ প্রতিভার মিনারের ওপর দাঁড় করিয়েছেন। তিনি যেন প্রতিভার এক বনসাই, সাহিত্যের কত না সম্ভার নিয়ে সুকান্তর কারুবাসনা! তিনি যদি সারস্বত সাধনার একটি সুচারু তোড়া স্বল্প-পরিসর জীবনে উপহার দিয়ে যান, আমরা লক্ষ্য করব, সেখানে রয়েছে গল্প, প্রবন্ধ, নাটক, গীতিনাট্য, কাব্যনাট্য, গান, ছড়া, কবিতার বৈভব। আছে তাঁর সম্পাদিত কবিতার বই, ‘আকাল’। তিনি অনুবাদক। এমনকী উপন্যাস রচনাতেও হাত দিয়েছিলেন তিনি। চার বন্ধু মিলে বারোয়ারী। অন্য বন্ধুদের অসহযোগিতায় তা সম্পূর্ণ হতে পারেনি। আবৃত্তিকার ও অভিনেতা, নাট্য-পরিচালক রূপেও দেখেছি তাঁকে। দৈনিক ‘স্বাধীনতা’ পত্রিকার ছোটদের পাতা ‘কিশোরসভা’-র সম্পাদনাসূত্রে সাংবাদিক-ও আবার, যে সভার পঁচিশ হাজারের ওপর সভ্য ছিল।

Read More »

বাইশে শ্রাবণ

রবীন্দ্রনাথ-ও কিন্তু আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন। যে কবি চির আশাবাদী, একটা সময় প্রখর বিষণ্নতা গ্রাস করেছিল তাঁকেও। ইউনানি মতে একবার নিজের চিকিৎসা করান তিনি। তাইতেই এমন মানসিক বিপর্যয়। অবসাদ, কান্না পাওয়া, আত্মহননেচ্ছা, সাময়িকভাবে এসব পেয়ে বসেছিল তাঁকে। পুত্র রথীন্দ্রনাথকে চিঠিতে জানাচ্ছেন তিনি, ‘দিনরাত্রি মরবার কথা এবং মরবার ইচ্ছা আমাকে তাড়না করছে। মনে হচ্ছে আমার দ্বারা কিছুই হয় নি এবং হবে না। আমার জীবন যেন আগাগোড়া ব্যর্থ।’ কবির এহেন অনুভব, ভাবা যায়? এন্ড্রুজকে লেখা চিঠিতেও এর সমর্থন আছে, ‘l feel that l am on the brink of a breakdown.’

Read More »